হোম > শিক্ষা

ইংরেজি শেখার চার চাবিকাঠি

শিক্ষা ডেস্ক

আমাদের দেশে স্কুল-কলেজে ইংরেজি পড়ানো হয় বিষয় হিসেবে, ভাষা হিসেবে নয়। ফলে ১২ বছর ইংরেজি পড়েও অনেক শিক্ষার্থী ভাষাটি ব্যবহার করতে পারে না সাবলীলভাবে। সিলেবাস শেষ হয়, কিন্তু ইংরেজি শেখা হয় না। বিশেষ করে গ্রাম, মফস্বল ও প্রান্তিক অঞ্চলে মানসম্মত ইংরেজি শিক্ষকও কম। শিক্ষকদের আধুনিক শিখন-পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণের ঘাটতিও আছে। তাই ইংরেজিকে বইয়ের পাতা থেকে বের করে আনতে হবে ব্যবহারিক জীবনে।

চার চর্চায় চার ধাপ

ইংরেজি শেখার মূল চাবিকাঠি চারটি—শোনা, বলা, পড়া ও লেখা। ছোটবেলা থেকে ইংরেজি সিনেমার সংলাপ, ক্রিকেটের ধারাভাষ্য শুনলে কান অভ্যস্ত হয়। বলতে হবে নিয়মিত। বিতর্ক, পাবলিক স্পিকিং কিংবা নিজের সঙ্গে কথা বলাও হতে পারে অনুশীলন। পাশাপাশি লিখতে হবে; আর বই, পত্রিকা, নিবন্ধ পড়তে হবে প্রতিদিন।

শব্দের ভান্ডার গড়ুন

ভালো লিখতে হলে ভালো শব্দভান্ডার চাই। আর শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হয় পড়ার মাধ্যমে। যত বেশি পড়বেন, তত বেশি শব্দ, বাক্য ও প্রকাশভঙ্গি আয়ত্ত হবে। লেখার অনুশীলনও হবে সহজ।

শিখুন প্রেক্ষাপট

শব্দ আলাদা করে মুখস্থ করার চেয়ে বাক্য, প্রেক্ষাপটসহ শেখা বেশি কার্যকর। ইংরেজি পত্রিকা, জার্নাল কিংবা নিবন্ধ পড়ুন। এতে ভাষার পাশাপাশি বিশ্ব সম্পর্কেও জানা হবে। একই সঙ্গে বোঝা যাবে, কোন শব্দ কোথায় কীভাবে ব্যবহৃত হয়।

পড়াশোনা ও চাকরিতে ইংরেজি

উচ্চশিক্ষা থেকে কর্মজীবন—সবখানেই ইংরেজি প্রয়োজন। প্রেজেন্টেশন, গবেষণাপত্র, পরীক্ষা, ই-মেইল কিংবা প্রপোজাল—সব ক্ষেত্রে ইংরেজি কাজে লাগে। সাবলীল ইংরেজি আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। তৈরি করে দক্ষতার ইতিবাচক ছাপ।

সিনেমাও হতে পারে শিক্ষক

হিন্দি সিনেমা দেখে অনেকে অনায়াসে হিন্দি শিখে ফেলেন। ইংরেজিতেও একই পদ্ধতি কাজ করতে পারে। সিনেমায় হাসি-কান্না, আনন্দ-দুঃখ, সহজ-জটিল নানা পরিস্থিতির সংলাপ থাকে। ফলে শব্দ শুধু শোনা নয়, তার ব্যবহারও বোঝা যায়। তাই বিনোদনের পাশাপাশি ইংরেজি সিনেমা হতে পারে ভাষা শেখার কার্যকর সহায়ক।

ইংরেজি কঠিন নয়; দরকার নিয়মিত চর্চা, ধৈর্য আর ব্যবহার।