হোম > শিক্ষা

কুইন্সল্যান্ডের একাডেমিক বোর্ডে বাংলাদেশি রবিউল আলম

ক্যাম্পাস ডেস্ক 

রবিউল আলম। ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার দ্য ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের একাডেমিক বোর্ডে পোস্টগ্র্যাজুয়েট রিসার্চ স্টুডেন্ট মেম্বার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি গবেষক মো. রবিউল আলম। আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে এক বছরের জন্য তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন। ছয়জন প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে একাডেমিক বোর্ডের একমাত্র পোস্টগ্র্যাজুয়েট রিসার্চ স্টুডেন্ট আসনে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

একাডেমিক বোর্ড কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের প্রধান একাডেমিক পরামর্শক সংস্থা। শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ে বোর্ডটি সিনেট ও উপাচার্যকে পরামর্শ দেয়। কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। তাঁদের মধ্যে ৪ হাজারের বেশি উচ্চতর গবেষণা ডিগ্রির শিক্ষার্থী। কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস ২০২৭ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের শীর্ষ ৪০ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি।

রবিউল আলম কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব এডুকেশনের পিএইচডি গবেষক ও ক্যাজুয়াল একাডেমিক। তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্র ভাষা ব্যবস্থাপনা, বহুভাষিকতা, ভাষাগত টেকসইতা ও ভাষানীতি। শিক্ষকতা ও গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষার্থী প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্বের বিভিন্ন দায়িত্বেও সক্রিয় তিনি। এর আগে স্কুল অব এডুকেশন এইচডিআর রিপ্রেজেনটেটিভ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বর্তমানে ইউনিভার্সিটাস ২১ এডুকেশন গ্র্যাজুয়েট রিসার্চার্স কমিউনিটি অব প্র্যাকটিসে কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিষয়ক গ্র্যাজুয়েট গবেষকদের প্রতিনিধিত্ব করছেন রবিউল। পাশাপাশি ব্রিসবেনের আয়রনসাইড স্টেট স্কুল কাউন্সিলের নির্বাচিত সদস্য ও সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

নির্বাচনে তাঁর প্রতি আস্থা ও সমর্থনের জন্য কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা শিক্ষার্থী কমিউনিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রবিউল। তিনি গবেষণা শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা ও উদ্বেগ মনোযোগ দিয়ে শুনতে চান। সেসব বিষয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর একাডেমিক আলোচনায় তুলে ধরতেও আগ্রহী তিনি। বিশেষ করে গবেষণা প্রশিক্ষণ, তত্ত্বাবধান, ক্যান্ডিডেচার, একাডেমিক সুযোগ এবং এইচডিআর শিক্ষার্থীদের আর্থিক চাপের মতো বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের মতামত তুলে ধরতে চান রবিউল।

রবিউল আশা করেন, তাঁর এই অভিজ্ঞতা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকদের, বিশেষ করে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষাপ্রত্যাশী তরুণদের, বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের বৃহত্তর পরিসরে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে উৎসাহিত করবে। তাঁর মতে, উচ্চশিক্ষা শুধু একটি ডিগ্রি অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নিজের কণ্ঠ তৈরি করা, দায়িত্ব নেওয়া, অন্যদের প্রতিনিধিত্ব করা এবং একাডেমিক কমিউনিটিতে অর্থবহ অবদান রাখাও উচ্চশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।