হোম > শিক্ষা

জাপানে সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি

শিক্ষা ডেস্ক

টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, জাপান। ছবি: সংগৃহীত

জাপানে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের জন্য বড় সুযোগ এসেছে। ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপের আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশের শিক্ষার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা দেশটির টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য এ বৃত্তিটি প্রযোজ্য।

টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি জাপানের শীর্ষস্থানীয় ও গবেষণাভিত্তিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। উদ্ভাবন ও আধুনিক গবেষণার জন্য পরিচিত টোকিও টেক জাপানের শিল্প ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। আধুনিক ল্যাবরেটরি ও আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা পরিবেশের কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে উচ্চশিক্ষার একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে পরিণত হচ্ছে।

সুযোগ-সুবিধা

ইন্টারন্যাশনাল গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ জাপান সরকারের মেক্সট ইউনিভার্সিটি রেকমেন্ডেড স্কলারশিপের আওতায় একটি সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রায় সব ব্যয় বহন করা হবে। এই বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফি ও সম্পূর্ণ টিউশন ফি মওকুফ করা হবে।

পাশাপাশি মেক্সট স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কোনো আবেদন ফি দিতে হবে না। যাতায়াতের ব্যয় হিসেবে শিক্ষার্থীদের নিজ দেশ থেকে জাপান এবং পড়াশোনা শেষে জাপান থেকে নিজ দেশে ফেরার জন্য রিটার্ন এয়ার টিকিট দেওয়া হবে। এ ছাড়া জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। মাস্টার্স পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ১ লাখ ৪৭ হাজার ইয়েন এবং পিএইচডি শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ১ লাখ ৪৮ হাজার ইয়েন ভাতা পাবেন।

আবেদনের যোগ্যতা

প্রার্থীদের জাপানের বাইরে অবস্থিত কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সমমানের শিক্ষা অর্জন করতে হবে। বয়সের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর জন্ম ২ এপ্রিল ১৯৮৯ বা তার পরে হতে হবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই তাঁর পূর্ববর্তী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা বিষয় অথবা তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো একাডেমিক বিষয়ে আবেদন করতে হবে।

মাস্টার্স প্রোগ্রামে আবেদনকারীদের জন্য স্বীকৃত স্নাতক ডিগ্রি থাকা বাধ্যতামূলক এবং পিএইচডি প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে অবশ্যই মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন থাকতে হবে। ভাষাগত যোগ্যতার বিষয়ে প্রার্থীর মাতৃভাষা যদি ইংরেজি না হয়, তাহলে তিনি পূর্ববর্তী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষাগ্রহণের সনদ জমা দিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আলাদা কোনো ভাষা পরীক্ষার প্রয়োজন হবে না।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

প্রার্থীকে একটি সাম্প্রতিক ছবি জমা দিতে হবে। পাশাপাশি টোকিও ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির কোনো ফ্যাকাল্টি সদস্যের কাছ থেকে প্রাপ্ত সম্মতিপত্র বা কনসেন্ট ই-মেইল বা চিঠি সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া নির্ধারিত ফরম্যাটে পূরণ করা ফিল্ড অব স্টাডি অ্যান্ড স্টাডি প্রোগ্রাম, পূর্ববর্তী গবেষণার থিসিসের সারসংক্ষেপ এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে ইংলিশ প্রোফিসিয়েন্সি স্কোর রিপোর্ট জমা দিতে হবে। প্রার্থীর পাসপোর্ট অথবা রেসিডেন্স কার্ডের কপি জমা দিতে হবে। এ ছাড়া একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট, স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ডিগ্রি ও গ্র্যাজুয়েশন সনদ এবং সুপারভাইজারের পক্ষ থেকে দেওয়া সহায়ক কাগজপত্রও আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। সবশেষে আবেদনকারীর একাডেমিক ও গবেষণাগত সক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য একটি রেকমেন্ডেশন লেটার জমা দিতে হবে।

আবেদনের পদ্ধতি

আগ্রহী প্রার্থীরা লিংকে গিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ৫ এপ্রিল, ২০২৬।

নতুন ভাষা আয়ত্ত করার ৮ কার্যকর ধাপ

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ চূড়ান্ত: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

উপদেষ্টা পরিষদে উঠছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ

বাবা বেঁচে থাকলে স্বর্ণপদক দেখে কেঁদে ফেলতেন

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ

মাহিরের ভান্ডারে বিবিধ রতন

বিশ্ববিদ্যালয়ের আড্ডা সংস্কৃতি

চীনের হোহাই বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসসি বৃত্তি

ডিআইইউতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে পাঠকবন্ধুর শীতবস্ত্র বিতরণ

এআইইউবিতে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম সিটি ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদল