প্রিয় এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা, আসছে ২ জুলাই দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করো। উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। যারা নিয়মিত পড়াশোনা করেছে, তারা অবশ্যই ভালো ফল করবে।
একাগ্রতা, শৃঙ্খলা ও ধারাবাহিক অধ্যবসায়ই সাফল্যের চাবিকাঠি। এ পরীক্ষার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। পরীক্ষা শুরু হতে এখনো কয়েক দিন বাকি। এ সময় অযথা দুশ্চিন্তা না করে নিজের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দিকে বিশেষ নজর দাও। এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও সাফল্য তোমাদের জন্য কাঙ্ক্ষিত উচ্চশিক্ষার দুয়ার খুলে দেবে। তাই পরীক্ষাটি গুরুত্ব ও আন্তরিকতার সঙ্গে সম্পন্ন করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখো এবং তাঁদের পরামর্শ অনুসরণ করো। অভিজ্ঞ শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করে তুলতে পারে। মনে রাখতে হবে, পরীক্ষার হলে শৃঙ্খলা ও নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। সৎ প্রচেষ্টা ও নিজের যোগ্যতার ওপর আস্থা রেখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করো।
প্রশ্ন ভালোভাবে বুঝে স্পষ্ট, সংক্ষিপ্ত ও পরিচ্ছন্ন ভাষায় উত্তর লিখবে। উত্তরপত্রে অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘতা পরিহার করে প্রশ্নের পূর্ণমানের প্রতি লক্ষ্য রেখে পরিমিত ও যথাযথ উত্তর উপস্থাপন করা উচিত। তোমার উত্তরপত্র যেন পরীক্ষকের কাছে সুসংগঠিত, পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য মনে হয়। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৪০ মিনিট আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে। বর্তমানে বর্ষাকাল চলছে, তাই আবহাওয়ার বিষয়টিও মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে বের হবে। প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, কলমসহ প্রয়োজনীয় সব সামগ্রী আগের রাতেই গুছিয়ে রাখবে। মনে রেখো, সুপরিকল্পিত প্রস্তুতি একটি সফল পরীক্ষার অন্যতম শর্ত।
অভিভাবকদের প্রতিও অনুরোধ থাকবে, তাঁরা যেন পরীক্ষার্থীদের উৎসাহ ও মানসিক সমর্থন দেন। এমন কোনো কথা বা আচরণ করা উচিত নয়, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে অযথা চাপ বা উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। পরিবার ও শিক্ষকের সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সচেতনতা, সময়ের সঠিক ব্যবহার ও আত্মবিশ্বাস—বিষয় তিনটি মাথায় রেখে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করো। সবার পরীক্ষা সুন্দর ও সফল হোক—এই কামনায় রইল আন্তরিক শুভেচ্ছা ও দোয়া।