হোম > শিক্ষা

জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ জানাল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

‎চলতি বছরে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফরম পূরণ আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে, যা চলবে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ‎

‎আজ সোমবার বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। ‎

‎জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফরম পূরণে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০ টাকা। এর মধ্যে পরীক্ষার ফি বাবদ ৪০০ টাকা ও কেন্দ্র ফি বাবদ ২০০ টাকা গুনতে হবে শিক্ষার্থীদের।

‎৩১ আগস্ট সম্ভাব্য পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে ঢাকা বোর্ড। ১ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর ফরম পূরণের পর ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ফি জমার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।

‎চলতি বছরের অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হবে। চারটি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ ডিসেম্বর।

‎প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত, ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।

‎এবার মোট ৪০০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে। চার বিষয়ের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

‎বাংলা, ইংরেজি ও গণিত—এই তিন বিষয়ের প্রতিটির পরীক্ষাই হবে ১০০ নম্বরে। প্রতিটি পরীক্ষার জন্য সময় দেওয়া হবে তিন ঘণ্টা। শেষ দিনে বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। দুই বিষয়ের জন্য মোট তিন ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় থাকবে এক ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

‎সূচির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে আসন নিতে হবে। পরীক্ষার কমপক্ষে সাত দিন আগে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

‎একই সঙ্গে উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে সংশ্লিষ্ট বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থায়ই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। পরীক্ষায় বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে। কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না বলেও নির্দেশনায় বলা হয়েছে।