হোম > শিক্ষা

‎একাদশে ভর্তি: সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ক্লাস শুরুর চিন্তা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রক্রিয়া দ্রুতই শেষ করতে চায় শিক্ষা প্রশাসন। আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি ক্লাস শুরুর চিন্তা-ভাবনা চলছে।

‎শিক্ষা বোর্ডগুলোর মোর্চা আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে মধ্য নভেম্বরে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করে ভর্তি নীতিমালার খসড়া প্রণয়ন করা হলেও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনের সময় বাঁচাতে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু কথা ভাবা হচ্ছে, এতে প্রস্তাব অনুযায়ী তিন ধাপের পরিবর্তে আবেদন গ্রহণের ধাপের সংখ্যা কমতে পারে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আজ বুধবার দুপুরে এসব তথ্য জানা।

‎‎তিনি বলেন, ‘নভেম্বরে ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করা হলেও তা এগিয়ে আসতে পারে। ১৫ সেপ্টেম্বর বা এ মাসের মাঝামাঝি ক্লাস শুরুর কথা ভাবা হচ্ছে।’

অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান আরও বলেন, ‘খসড়া ভর্তি নীতিমালায় তিন ধাপে আবেদন গ্রহণের প্রস্তাব করা হলেও তা কমতে পারে। মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে—কয় ধাপে আবেদন নেওয়া হবে। শিগগিরই ভর্তি নীতিমালা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত করা হবে। এরপর ভর্তির আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।’

‎আবেদন গ্রহণের ধাপের সংখ্যা কমার সম্ভাবনা ছাড়া ভর্তি প্রক্রিয়া অন্যান্য বছরের মতোই থাকবে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান।

‎আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে তিন আবেদন গ্রহণের পর ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে ১২ নভেম্বর ক্লাস শুরুর প্রস্তাব করে ভর্তি নীতিমালার খসড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠিয়েছিল বলে আগে জানিয়েছিলেন এ কর্মকর্তা।

‎বরাবরের মতো এবারও এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে বিভিন্ন কলেজ ও মাদ্রাসায় একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। ভর্তি প্রক্রিয়া শেষে কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে সাড়ে ৮ লাখ আসন ফাঁকা থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

‎কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং আবেদনের পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের আসনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাওয়া নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য নির্বাচিত হবেন।

‎গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বসেছিলেন ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পরীক্ষার্থী। ৬ লাখ ৯০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।

‎একাদশ শ্রেণিতে দেশের কলেজও মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় ২৫ লাখ আসন আছে। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ ও মাদ্রাসাগুলোতে কেন্দ্রীয়ভাবে এ ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে আলাদা। সে হিসাবে এবার সাড়ে ৭ লাখ আসন ফাঁকা থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।