হোম > শিক্ষা

বাবা তোমায় ভালোবাসি

শিক্ষা ডেস্ক

বাবার সঙ্গে ওফেলিয়া জামিলা বুপাশা

জীবনের প্রথম আশ্রয়, নীরব শক্তি আর অদৃশ্য নিরাপত্তার অনন্য এক শব্দ ‘বাবা’। সন্তানের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের প্রতীক তিনি। বাবার প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বাবা দিবস। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক সোনোরা স্মার্ট ডড তাঁর বাবার প্রতি সম্মান জানাতে ১৯১০ সালে প্রথম এ দিবস পালনের উদ্যোগ নেন। পরবর্তীকালে ১৯৭২ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন জুন মাসের তৃতীয় রোববারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাবা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেন। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ১১১টি দেশের মতো বাংলাদেশেও দিনটি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে পালিত হয়।

এই বিশেষ দিনকে ঘিরে চার বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী জানিয়েছেন তাঁদের বাবাকে নিয়ে স্মৃতি, অনুভূতি ও ভালোবাসার কথা। গ্রন্থনা করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মালিহা মেহনাজ।

আমার জীবনের প্রথম পুরুষ

ওফেলিয়া জামিলা বুপাশা, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আমার বাবা প্রচণ্ড বইপ্রেমী একজন মানুষ। বইয়ের প্রতি ভালোবাসা আমি তাঁর কাছ থেকেই পেয়েছি। আমার ১৮তম জন্মদিনে পেঙ্গুইন ক্লাসিকসের মূল সংস্করণের বই আবদার করেছিলাম। বাবা সানন্দেই সেই ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন।

পেশাগত জীবনে তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা। অথচ অফিস শেষে তাঁর সময় কাটে শাহবাগের বইয়ের দোকানগুলোতে কিংবা বাতিঘরে। রাতের খাবার শেষ করেই ডুবে যান বইয়ের জগতে। আজও অবাক হয়ে ভাবি, একজন মানুষ এত পড়তে পারে কীভাবে! জ্ঞান অর্জনের প্রতি তাঁর ভালোবাসা সত্যিই অসাধারণ।

বাবাই আমাকে ভূগোল, রাজনীতি, কূটনীতি থেকে শুরু করে শরৎচন্দ্রের সাহিত্য—নানান ধরনের বইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমি পৃথিবীকে আরও গভীরভাবে বুঝতে পারি। শুধু তা-ই নয়, তিনি আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন সিলভিয়া প্লাথ, জেন অস্টেন ও এমিলি ব্রন্টির মতো নারী লেখকদের সঙ্গেও। তাঁর বিশ্বাস ছিল, অনুপ্রেরণার জন্য বৈচিত্র্যময় পাঠের কোনো বিকল্প নেই।

বাবা আমাকে আরও শিখিয়েছেন, শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানই যথেষ্ট নয়; পত্রিকা, সাময়িকী, টক শোসহ নানা মাধ্যম থেকেও শেখার চেষ্টা করতে হবে। হয়তো সেই শিক্ষার কারণেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞানে ৩০-এর মধ্যে ২৮ নম্বর পেয়েছিলাম, কোনো মোটা সাধারণ জ্ঞানের বই না পড়েই।

বাবাকে ঘিরে শৈশবের মজার স্মৃতি বেশ অন্য রকম। তখন আমার বড় বোনের বয়স পাঁচ-ছয় বছর, আর আমার বয়স তিনের কাছাকাছি। বোন সবে সাঁতার শেখা শুরু করেছে। একদিন আমাকে নিয়ে পুকুরে নেমে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলল। মুহূর্তেই দুজনেরই প্রায় ডুবে যাওয়ার অবস্থা! আশপাশের মানুষজন এসে আমাদের উদ্ধার করল। সেই ঘটনার পর জীবনে প্রথম এবং শেষবারের মতো আমরা দুই বোন বাবার হাতে বেতের বাড়ি খেয়েছিলাম। সেটিই ছিল তাঁর প্রথম ও শেষ শাসন।

আমি কখনোই ক্লাসের প্রথম সারির শিক্ষার্থী ছিলাম না। বরং নিজেকে সব সময়ই একজন ‘ব্যাকবেঞ্চার’ মনে হয়েছে। কিন্তু বাবা সব সময় বলতেন, ‘তুমি ফার্স্ট।’ তাঁর সেই অগাধ বিশ্বাসই আমাকে এগিয়ে যাওয়ার সাহস দিয়েছে।

একটি ইংরেজি উক্তি আছে— ‘He clapped so hard for me that I never noticed those who didn’t.’ কথাটি যেন আমার বাবাকে ঘিরেই লেখা। তিনি আমার ছোট ছোট অর্জনেও এত আনন্দিত হন যে অন্যের স্বীকৃতি বা প্রশংসা না পেলেও কখনো নিজেকে ছোট মনে হয় না।

বাবা, তুমি আমার সাহস, আমার আত্মবিশ্বাস, আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। তোমার ভালোবাসা আর বিশ্বাসই আমাকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যেতে শেখায়। তুমি আমাদের মাঝে এভাবেই বেঁচে থাকো, দীর্ঘদিন, সুস্থ ও আলোকিত হয়ে।

বাবার সঙ্গে শয়ন সরকার

বাবা আমার বড় হওয়ার অনুপ্রেরণা

শয়ন সরকার, শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রত্যেক সন্তানের জীবনেই বাবা-মা মহান সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদস্বরূপ। তবে বেশির ভাগ সন্তানের মায়ের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে সন্তানদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বাবারা যে কত ত্যাগ ও পরিশ্রম করেন, তার অনেকটাই থেকে যায় দৃষ্টির আড়ালে। আমরা প্রায়ই, বাবাকে বটবৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করি। বটগাছ যেমন প্রখর রোদে নিজে তাপ সহ্য করে অন্যকে শীতল ছায়া দেয়, তেমনি বাবারাও নিজেদের কষ্ট আড়াল করে পরিবারের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য নিরন্তর পরিশ্রম করেন। বাবাদের পেশা ভিন্ন হতে পারে—কেউ সরকারি কর্মকর্তা, কেউ দিনমজুর, কেউ প্রবাসী, আবার কেউ ব্যবসায়ী। কিন্তু দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাঁদের নিষ্ঠা ও ত্যাগে কোনো ভিন্নতা নেই।

আমি কখনোই খুব স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান ছিলাম না। তবু ছোটবেলা থেকে বাবা আমাকে কখনো অভাব অনুভব করতে দেননি। মাধ্যমিক পাস করে পড়াশোনার জন্য শহরে থাকতে শুরু করার পর প্রায়ই ভাবতাম, বাবা কীভাবে সবকিছু সামলান? আমার বাবা একজন নির্মাণশ্রমিক। সীমিত আয়ের মধ্যেও তিনি আমার পড়াশোনার খরচ নির্বিঘ্নে চালিয়ে গেছেন।

একদিন জানতে পারলাম, সংসারের প্রয়োজন মেটাতে এবং আমার পড়াশোনার ব্যয় বহন করতে বাবা অতিরিক্ত সময় কাজ করেন। বিষয়টি জানার পর নিজের অজান্তেই চোখ ভিজে উঠেছিল। সেদিন নিজেকে একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, শুধু নিজের জন্য নয়, বাবার স্বপ্নপূরণের জন্যও আমাকে সফল হতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার দিনটি আজও আমার কাছে স্মরণীয়। বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গিয়েছিলাম। ডিন অফিসে স্বাক্ষর করার সময় তাঁর মুখে যে আনন্দের ঝলক দেখেছিলাম, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। সেই হাসির মধ্যেই ছিল বছরের পর বছর শ্রম, ত্যাগ আর স্বপ্নপূরণের পরম তৃপ্তি। সেদিন উপলব্ধি করেছিলাম, একজন সন্তানের সাফল্যের চেয়ে বড় আনন্দ হয়তো একজন বাবার জীবনে আর কিছুই নয়।

আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয় দৃশ্য হলো বাবার মুখের হাসি। তাই আমি মনে করি, বাবার পরিচয় কখনো দ্বিধার সঙ্গে নয়, বরং গর্বের সঙ্গে দেওয়া উচিত। কারণ, একজন বাবার পরিচয়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তাঁর অসংখ্য ত্যাগ, সংগ্রাম ও ভালোবাসার গল্প।

বাবা দিবসে পৃথিবীর সকল বাবার প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। ভালো থাকুক আমাদের জীবনের নীরব নায়কেরা।

বাবার সঙ্গে ম্যাগডীলিনা প্রীতি রোজারিও

বাবা, বিমান আর অপেক্ষার দিনগুলো

ম্যাগডীলিনা প্রীতি রোজারিও, শিক্ষার্থী, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়

আমার নাম ‘প্রীতি’ রেখেছিলেন বাবা। একজন চিকিৎসকের নামের সঙ্গে মিল রেখে। পৃথিবীতে আসার পর তিনিই প্রথম আমাকে নিজের করে ডেকেছিলেন, একটি পরিচয় দিয়েছিলেন। কথা বলতে শেখার পর আমিও তাঁকেই ডাকতাম ‘পাপা’ বলে।

তিন বোনের মধ্যে আমি সবচেয়ে ছোট। ছোটবেলা থেকে বাবা ছিলেন প্রিয় মানুষ। তাঁর হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে মনে হতো, আমার পাপা যেন একজন সুপার হিরো।

তবে একসময় আকাশ আমাদের মাঝখানে এসে দাঁড়াল। আমার বয়স তখন মাত্র ছয়। বাবার চাকরির সুবাদে তাঁকে থাকতে হলো দূরে। সেই থেকে বিমানবন্দরের কাচঘেরা ঘরগুলো আমার কাছে আনন্দ আর বিষাদের এক অনুভূতির নাম হয়ে যায়।

বাবা যখন ছুটিতে বাড়ি ফিরতেন, তখন মনে হতো জীবনটা হঠাৎ করেই আরও সুন্দর হয়ে গেছে। ক্যালেন্ডারের সব দিন একরকম হয় না; কিছুদিন থাকে বিশেষ, যেগুলোর আশায় বাকি সময়টুকু অপেক্ষা করে কাটানো যায়। বাবার দেশে ফেরার দিনগুলো ছিল ঠিক তেমনই।

জানালার গ্রিল ধরে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। মনে হতো, এই বুঝি বাবার বিমানটি দেখা গেল। আর সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত ছিল স্কুল ছুটির পর গেটে বাবাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা। ক্লাস শেষে ভিড়ের মধ্যে তাঁর মুখটি খুঁজে পাওয়ার আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ছোট্ট আমি দৌড়ে গিয়ে তাঁর হাত ধরতাম, আর মনে হতো আমার পৃথিবীটা আবার ঠিক হয়ে গেছে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমিও বড় হয়েছি। বেড়েছে জীবনের ব্যস্ততা, বদলেছে অনেক কিছু। কিন্তু বাবার ভালোবাসার ধরন বদলায়নি।

আমরা প্রায়ই ভাবি, ভালোবাসা বুঝি শব্দে প্রকাশ করতে হয়। অথচ বাবারা হয়তো ভালোবাসেন অন্য এক ভাষায়। তাঁদের ভালোবাসা প্রকাশ পায় দায়িত্বে, অপেক্ষায়, ত্যাগে এবং নীরব উপস্থিতিতে। প্রকাশ পায় সেই আশ্বাসে—‘আমি আছি।’ বাবা দিবসে পৃথিবীর সব বাবার প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা। অনেক বাবা তাঁদের সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য ঘর ছেড়ে দূরে থাকেন, নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দেন, ক্লান্তি আড়াল করে রাখেন। তাঁদের একটাই প্রত্যাশা—সন্তানের মুখে হাসি ফুটুক, সন্তানের জীবন হোক আরও সুন্দর ও সহজ।

বাবার সঙ্গে জান্নাতুন নাঈমা

ত্যাগ আর ভালোবাসার আরেক নাম বাবা

জান্নাতুন নাঈমা, শিক্ষার্থী, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

বাবা আমার জীবনে সূর্যের মতো। তাঁর উপস্থিতি যেমন আলো ছড়িয়ে দেয়, তেমনি তাঁর অনুপস্থিতির কথা ভাবলেই চারপাশ অন্ধকার মনে হয়। একজন সন্তানের জীবনে বাবার গুরুত্ব ভাষায় পুরোপুরি প্রকাশ করা কঠিন। তিনি শুধু পরিবারের অভিভাবক নন, সন্তানের সবচেয়ে বড় ভরসা, আশ্রয় ও প্রেরণার উৎস।

আমার বাবা সব সময় আমাকে ছায়ার মতো আগলে রেখেছেন। জীবনের নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তাঁকে দেখেছি শান্ত ও স্থির থাকতে। তাঁর পরামর্শ, সাহস ও উৎসাহ আমাকে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে।

ছোটবেলায় বাবা আমাকে শাসন করতেন। তখন খুব কষ্ট পেতাম, কখনো কখনো কান্নাও করতাম। মনে হতো, বাবা কেন আমাকে এত বকেন? সেই বয়সে তাঁর কথার গভীরতা বুঝতে পারিনি। কিন্তু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উপলব্ধি করেছি, তাঁর প্রতিটি শাসনের পেছনে ছিল আমার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ। তিনি চাইতেন আমি যেন ভুল পথ থেকে দূরে থাকি এবং একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারি।

বাবা কখনোই আমাকে কোনো বিষয়ে অযথা চাপ দেননি। বিশেষ করে পড়াশোনার ক্ষেত্রে তিনি সব সময় উৎসাহ দিয়েছেন। তাঁর এই বিশ্বাস ও সমর্থন আমার আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।

বাবাকে নিয়ে সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি হলো, যেদিন তিনি আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রেখে বাড়ি ফিরে যাচ্ছিলেন। সেদিন তাঁর চোখেমুখে এক অদ্ভুত বিষণ্নতা দেখেছিলাম। বিদায়ের সময় তিনি আমার বড় ভাইকে বারবার বলছিলেন, ‘ওকে দেখে রাখিস।’ তখন মনে হয়েছিল, বাবা যেন আমাকে ছেড়ে যেতে চাইছেন না। নিজের আবেগ আড়াল করার চেষ্টা করলেও তাঁর মনের কষ্ট স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। আর একটু হলেই হয়তো তাঁর চোখে জল চলে আসত। সেদিন আমি নতুন করে উপলব্ধি করেছিলাম—একজন বাবা তাঁর সন্তানকে কতটা ভালোবাসেন, যদিও সেই ভালোবাসা সবসময় মুখে প্রকাশ করেন না।

পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা বাবার স্নেহ ও ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত। তাই আমি মনে করি, বাবা থাকাটা সত্যিই বড় সৌভাগ্যের বিষয়। মহান আল্লাহ আমাকে সেই সৌভাগ্য দিয়েছেন, এ জন্য আমি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। সকল বাবাকে বাবা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা।

প্রাথমিকে বদলি-পদায়নে চার কমিটি, নেতৃত্বে সচিব-ডিসি-ইউএনও

বেসরকারি মেডিকেল কলেজের পরিচালনা পর্ষদে মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি মনোনয়ন

প্রাথমিক বিদ্যালয় ওয়ান-শিফটে আনার পরিকল্পনা

জাপানে পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করার সুযোগ

কারিগরি শিক্ষায় পাকিস্তানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ আছে: শিক্ষামন্ত্রী

জবি সোশ্যাল ওয়ার্ক ডিবেটিং ক্লাবের নেতৃত্বে মায়িশা-ইউনুস

আন্তবিশ্ববিদ্যালয় ক্যারাম প্রতিযোগিতায় বিজয়ী জবি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর ১০ শতাংশ কর প্রত্যাহারের দাবি

বেসরকারি শিক্ষকদের বদলিতে ডেটা এন্ট্রির সময় বাড়ল

বাবার প্রতি ভালোবাসা