হোম > শিক্ষা

সামাজিক সমস্যা সমাধানে গবেষণার আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ। ছবি: আজকের পত্রিকা

দেশে উগ্রবাদ, অসহিষ্ণুতা, সহিংসতা, সামাজিক বিভাজন ও মেরুকরণের মতো সংকট মোকাবিলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

মামুন আহমেদ বলেন, গবেষণার লক্ষ্য শুধু গবেষণাপত্র প্রকাশ, উদ্ধৃতি বাড়ানো কিংবা গবেষকের ব্যক্তিগত ও পেশাগত প্রোফাইল সমৃদ্ধ করা নয়। মানুষের জীবন ও সমাজের বাস্তব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণার ফল কাজে লাগলেই গবেষণার প্রকৃত সার্থকতা মিলবে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘সহিংস উগ্রবাদ মোকাবিলায় মানবকেন্দ্রিক ও প্রমাণভিত্তিক নীতি’ নিয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। তাই উগ্রবাদ ও অসহিষ্ণুতাকে শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে এর পেছনের সামাজিক, সাংস্কৃতিকসহ নানা কারণ অনুসন্ধান করতে হবে। এ জন্য বিভিন্ন শাখার গবেষকদের সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

ক্যাম্পাস ও শ্রেণিকক্ষে বিভিন্ন ধর্ম, বিশ্বাস ও সামাজিক পটভূমির শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংলাপের পরিবেশ গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন ইউজিসি চেয়ারম্যান। তাঁর মতে, এমন চর্চা শিক্ষার্থীদের মানবিক, বিজ্ঞানমনস্ক ও যুক্তিবাদী হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। সমাজের জটিল সমস্যা মোকাবিলায় সব ধরনের জ্ঞান ও গবেষণার সমন্বয় প্রয়োজন।

ইউজিসির বাস্তবায়নাধীন হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের ‘ইন্টার রিলিজিয়াস ডায়ালগ, রিজিলিয়েন্স বিল্ডিং, অ্যান্ড কাউন্টারিং ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিজম’ শীর্ষক উপপ্রকল্পের আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি পলিসি ল্যাব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ এ সম্মেলন আয়োজন করেছে।

সম্মেলনে মূল বক্তা ছিলেন যুক্তরাজ্যের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. গর্ডন ক্লাব। উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম।