মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (এমআইইউ) ‘Academic Bridges between Pakistan and Bangladesh: Contemporary Perspectives’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) আশুলিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এ সেমিনার শেষে এমআইইউ এবং পাকিস্তানের ইনস্টিটিউট অব রিজিওনাল স্টাডিজ (আইআরএস), পেশোয়ার-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
সেমিনারটি আয়োজন করে এমআইইউর সেন্টার ফর জেনারেল এডুকেশন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের এমিরেটাস অধ্যাপক এবং মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবদুর রবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টের সদস্য ও সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. উমার আলী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও এমআইইউ ট্রাস্টের সদস্য প্রফেসর ড. মো. মোজাম্মেল হক।
সেমিনারে গেস্ট অব অনার ও চিফ অব ফরেন ডেলিগেটস হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইআরএসের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইকবাল খলিল। কিনোট স্পিকার ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ডেপুটি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ফজলুর রহমান কুরেশি। গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য দেন কুরতুবা ইউনিভার্সিটি, পেশোয়ার-এর শিক্ষক ড. মুফতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চৌধুরী মাহমুদ হাসান দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি যৌথ গবেষণা, উদ্ভাবন, তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
সেন্টার ফর জেনারেল এডুকেশনের (সিজিইডি) পরিচালক ড. মোহাম্মাদ আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার মো. মনিরুল ইসলাম, স্কুল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনোমিকসের ডিন মো. মাহবুব আলম এবং রেজিস্ট্রার এ. এইচ. এম. আবু সাঈদ।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে পারস্পরিক একাডেমিক ও গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি এবং আইআরএসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে শিক্ষা, গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন, ছাত্র-শিক্ষক বিনিময় এবং বিভিন্ন একাডেমিক কার্যক্রমে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।