জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্যাপিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিদ্যা, কলা ও সংগীতের দেবী সরস্বতীপূজা বাণী অর্চনা।
আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে পূজা শুরু হয়। যা এখনো চলছে। এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৯টি বিভাগের মধ্যে ৩৭টি বিভাগ পৃথক মণ্ডপে সরস্বতীপূজার আয়োজন করেছে।
প্রতিবছর শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা, কলা ও সংগীতের দেবী সরস্বতীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। দেবীর আবাহনের মাধ্যমে পূজা শুরু হয়ে পুষ্পাঞ্জলি ও প্রসাদ বিতরণের মধ্য দিয়ে তা শেষ হয়।
পূজায় অংশ নেওয়া ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী অঙ্কন রায় বলেন, ‘প্রতিবছরের মতো এ বছরেও জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে আমরা উৎসব পালন করছি। দেবীর কাছে একটায় চাওয়া থাকবে আমরা যেন আমাদের জ্ঞানের মাধ্যমে দেশ এবং দেশের মানুষের মঙ্গল করতে পারি।’
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তন্ময় কণ্ডু বলেন, ‘প্রতিবছর আমরা এই পূজার মাধ্যমে আমরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করি যেন আমাদের জ্ঞানের গভীরতা বৃদ্ধি পায়। সব মিলিয়ে এবার অনেক বেশি আনন্দের সাথে উদ্যাপন করছি।’
কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ সরকার জয় বলেন, ‘নিজ ক্যাম্পাসে পূজা উদ্যাপন করতে পারছি। খুবই ভালো লাগা কাজ করছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক সেই কামনাই করি।’
পূজা কমিটির সভাপতি রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, ‘সকাল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের সমন্বয়ে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে এবারের মা সরস্বতীর পূজা পালিত হচ্ছে। পূজা কমিটির সভাপতি হিসেবে সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমি প্রক্টরিয়াল বডি ও জকসু কমিটিকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে জকসুর সংস্কৃতি সম্পাদক তাকরিমের সহযোগিতা প্রশংসনীয়।’
পরিদর্শন শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘খুবই জাঁকজমক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দীপনার সঙ্গে সরস্বতীপূজা উদ্যাপন হচ্ছে। আমি প্রতিটি মণ্ডপ পরিদর্শন করেছি। সকল সনাতনী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন। সাড়ম্বরে পালনের জন্য এবার আমরা বাজেট গতবারের তুলনায় বাড়িয়ে দিয়েছি।’