সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষকের যোগদানের তারিখ আগামী ২৯ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে। যোগদান শেষে পদায়নের পর শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এদিকে অবিলম্বে পদায়নের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা।
আজ শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষক নিয়োগসংক্রান্ত এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় শিক্ষকদের যোগদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সভা শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন, সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষকের যোগদানের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। তদন্ত ও প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রতায় তা বিলম্বিত হয়েছে। আশা করি, আগামী ২৯ অক্টোবরে তাদের যোগদান করা হবে।
পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া ৬১ জেলায় গত ৯ জানুয়ারি একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। পরে চূড়ান্তভাবে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং সনদ যাচাই সম্পন্ন হয়েছিল। এরপর সরকার প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখন পর্যন্ত তাদের নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়নি।
এর আগে কয়েক দফায় নিয়োগ ও পদায়নের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা।
আজ আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অবিলম্বে পদায়নের দাবিতে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা। আগামীকাল রোববার থেকে তাঁরা লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন। রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে বেলা ১১টায় এ কর্মসূচি শুরু হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর ১৭৫ দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে এখনো নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। গত ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে যোগদানের প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানানো হয়েছিল কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কোনো প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।