শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) ঢাকা মেট্রো সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমানে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মো. হাসান শওকতের কক্ষে অর্থ লেনদেনের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব (উন্নয়ন-৩) এ এস এম শাহরিয়ার জাহান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।
অফিস আদেশে বলা হয়, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. হাসান শওকতের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হলো।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তদন্ত কমিটির সভাপতি করা হয়েছে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ড. সরদার মো. কেরামত আলীকে (বর্তমানে তিনি উন্নয়ন বিভাগে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন), সদস্য হিসেবে আছেন ইইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. তারেক আনোয়ার জাহেদী ও উপসচিব (উন্নয়ন-৩) এ এস এম শাহরিয়ার জাহান।
গতকাল রোববার (১৬ আগস্ট) আজকের পত্রিকায় ‘ইইডির প্রকৌশলীর টেবিলে লেনদেন: ‘‘স্যারের কাছে ৫ লাখ টাকা রেখে যান’’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইইডির ঢাকা মেট্রো সার্কেলের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় হাসান শওকতের দপ্তরে অর্থ লেনদেনের একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। ভিডিওতে তাঁকে চেয়ারে বসে থাকতে এবং তাঁর টেবিল ঘিরে কয়েকজনকে বসে ও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁদের কয়েকজন বড় খাম থেকে এক হাজার ও ৫০০ টাকার নোটের বান্ডিল বের করে টেবিলে রাখছিলেন। এ সময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘স্যারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা রেখে যান।’
গোপনে ধারণ করা ওই ভিডিও রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইইডির ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে ধারণ করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে ভিডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতির আগে হাসান শওকত ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত প্রায় আড়াই বছর ঢাকা মেট্রো কার্যালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, ভিডিওটি তাঁর ওই সময়ের দায়িত্ব পালনের সময় ধারণ করা হয়েছিল।