চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় প্রত্যাশিত ফলাফল না পেয়ে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের (চ্যালেঞ্জ) জন্য আবেদন করেছে ২ লাখ ৯১ হাজার ২০৯ জন শিক্ষার্থী। তারা মোট ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৩টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে। ২৩ নভেম্বর পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হবে।
আজ রোববার বিকেলে আজকের পত্রিকাকে এসব তথ্য জানান আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান।
গতকাল শনিবার (৭ নভেম্বর) ছিল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদনের শেষ সময়। তবে গতকাল রাতে আবেদনের সময় বাড়িয়ে আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত করা হয়।
আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ২ লাখ ২৬ হাজার ৫৬১ জন পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৮টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছিল। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৪ সালে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট আবেদন জমা পড়েছিল ৫ লাখ ৮ হাজার ১১৬টি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গত দুই বছরের তুলনায় এবার পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। গত কয়েক বছরের মধ্যে এবারই সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে।
গত ৩০ অক্টোবর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অকৃতকার্য হয়েছে ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন। পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।