হোম > শিক্ষা

৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হবে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র: ইউজিসি চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ইআরএলএস- ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা সেন্টার চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান, গবেষণা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে আরও দক্ষ করে তুলতে বিদেশি ভাষা শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে এ উদ্যোগ নিয়েছে ইউজিসি।

আজ শুক্রবার ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেস (বিআইএল) আয়োজিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘এপিস্টেমিক রিকনফিগারেশনস ইন ল্যাঙ্গুয়েজ স্টাডিজ (ইআরএলএস) ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

‘ডিকলোনিয়াল ডায়ালগস, ট্রান্সফরমেটিভ পাথওয়েজ অ্যান্ড এমপাওয়ার্ড প্র্যাকটিসেস’ প্রতিপাদ্যে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অধ্যাপক মামুন আহমেদ বলেন, সরকার বিদেশি ভাষা শিক্ষার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে। চীনা, জাপানি, কোরীয়, আরবি, জার্মান, ফরাসি, ইতালীয় ও স্প্যানিশসহ বিভিন্ন ভাষা শেখার সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। দেশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র চালুর উদ্যোগ এ ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে। পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জাপানি, কোরীয়, চীনা, ইংরেজি ও আরবি ভাষার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে বিদেশি ভাষায় দক্ষতা অর্জন কেবল অতিরিক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা নয়; বরং উচ্চশিক্ষা, কর্মসংস্থান, সাংস্কৃতিক বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও বিশ্বপরিসরে প্রতিযোগিতায় সক্ষম তরুণ প্রজন্ম গড়ে তুলতে বিদেশি ভাষা শিক্ষাকে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে মাতৃভাষার সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। তাই মাতৃভাষা বাংলাকে জাতীয় পরিচয় ও সংস্কৃতির ভিত্তি হিসেবে সমুন্নত রেখেই শিক্ষার্থীদের বিদেশি ভাষা শেখার সুযোগ সম্প্রসারণ করতে হবে। মাতৃভাষা ও বিদেশি ভাষার মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয় অক্ষুণ্ণ রেখে আন্তর্জাতিক পরিসরে যোগাযোগের ভাষাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষার কার্যকর মডেল তৈরি, দক্ষ ভাষাশিক্ষক গড়ে তোলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়, দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব প্রতিষ্ঠায় প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে বিদেশি ভাষা শিক্ষা যেন দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয় ও শিক্ষাগত অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে, সেদিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা সৈয়দা সারওয়াত আবেদ বক্তব্য রাখেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভো প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত লুলজিম প্লানা।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আরশাদ মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের পরিচালক ও সম্মেলনের আহ্বায়ক অধ্যাপক শায়লা সুলতানা।

মাদক নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ডেটাবেইস তৈরির আহ্বান ব্যারিস্টার জিল্লুর রহমানের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

এইচএসসির সম্পূরক পরীক্ষার ফলাফল ২৩ ডিসেম্বর

বিনা খরচে স্নাতকোত্তর পড়ার সুযোগ

ইউআইইউর সহযোগিতায় রোবো ফেস্ট অনুষ্ঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬৮ কর্মচারীর বেতন বন্ধ, চাকরি হারানোর শঙ্কা

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৪.২ শতাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিষণ্নতার লক্ষণ: গবেষণা

সপ্তাহ শেষে টানা ৩ দিনের ছুটি, পাচ্ছে যারা

এইচএসসির অকৃতকার্যদের পরীক্ষা শুরু ১ ডিসেম্বর

শিক্ষার্থীদের অনাস্থা, উদয়ন স্কুলের তদন্ত কমিটি থেকে সরে দাঁড়ালেন ঢাবির দুই সহকারী প্রক্টর