হোম > অর্থনীতি > শেয়ারবাজার

পুঁজিবাজার থেকে ১৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা সিটি গ্রুপের

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: বিজ্ঞপ্তি

দেশের পুঁজিবাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে সিটি গ্রুপ। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের ইকুইটি পুঁজিবাজারে প্রবেশ করতে যাচ্ছে শিল্পগোষ্ঠীটি।

আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া, নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তাবিত তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম সম্পন্ন করার আশা করছে সিটি গ্রুপ।

ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও অর্থায়নের চাহিদা পূরণে অন্যান্য অর্থায়ন ব্যবস্থার পাশাপাশি পুঁজিবাজারকে টেকসই অর্থায়নের উৎস হিসেবে বেছে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সিটি গ্রুপের এই উদ্যোগের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে নতুন ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোও বিকল্প অর্থায়ন উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারে আসতে উৎসাহিত হবে।

প্রস্তাবিত তহবিল সংগ্রহের জন্য ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস পিএলসি। তহবিল সংগ্রহের কাঠামোর মধ্যে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও), প্রাইভেট ইকুইটি, প্রেফারেন্স শেয়ার, করপোরেট বন্ড, সুকুক অথবা অনুমোদিত অন্য কোনো পুঁজিবাজার উপকরণ থাকতে পারে।

প্রয়োজনীয় বিধিবিধান ও নিয়ন্ত্রক অনুমোদন সাপেক্ষে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টস ইস্যু ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট পুঁজিবাজার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এদিকে, প্রস্তাবিত লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং সেবা ও অবকাঠামো সরবরাহে লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টসের সঙ্গে ব্যাংকিং পার্টনার ও ব্যাংকার টু দ্য ইস্যু হিসেবে কাজ করবে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি।

আজ বৃহস্পতিবার সিটি গ্রুপের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠানে সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হাসান, স্পন্সর শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক ফারজানা রহমান ও শম্পা রহমান, লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টসের পরিচালক ও লংকাবাংলা সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী এবং ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সিটি গ্রুপ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করছে। ভোজ্যতেল, আটা-ময়দা, চিনি, ডাল, চাল, ফিডসহ বিভিন্ন ভোগ্য ও শিল্পপণ্যের ব্যবসার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পগোষ্ঠী হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।