ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের (ডিটিআই) শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্য উদ্যাপনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে গ্র্যাজুয়েশন উদ্যাপন ২০২৬’।
আজ শনিবার রাজধানীর ড্যাফোডিল প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১৫০ জন ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে মেধাতালিকায় সেরা ২০ জনকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে গোল্ড মেডেল, একজনকে চেয়ারম্যান অ্যাওয়ার্ড এবং দুজন শিক্ষার্থীকে সফল অ্যালামনাই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) ফরিদা ইয়াসমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের (বিটিইবি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রুহুল আমিন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী মো. আবুল কালাম আজাদ এবং ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।
ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোয়াজ্জেম হোসেন রুবেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পরিচালক (শিল্পখাত ও প্রশিক্ষণ সমন্বয়) প্রকৌশলী মো. আলাউদ্দিন এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ড্যাফোডিল পরিবারের প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাহী পরিচালক রথীন্দ্র নাথ দাস উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘গ্র্যাজুয়েশন সেরিমনির মধ্য দিয়ে আপনাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ হলো। আপনাদের অর্জিত শিক্ষা সমাজ ও দেশের কোনো কাজে না আসলে সেটা হবে বাবা-মা, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত প্রচেষ্টার একটি বিরাট অপচয়। আপনারা কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতার উন্নয়নের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠনে অবদান রাখবেন।’
কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে একটি দেশ উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে উল্লেখ করে তিনি চীনের উদাহরণ তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ‘দেশ ও বিদেশে, বিশেষ করে জাপানে কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন জনবলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমরা জাতি হিসেবে সৌভাগ্যবান যে, আমাদের ৬৫ শতাংশ ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রচুর দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে এ চাহিদা মেটাতে পারি।’
ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, ‘ড্যাফোডিল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট শিক্ষা ব্যবস্থায় উদ্ভাবনকে অনুঘটক মনে করেছে এবং এর একাডেমিক সিস্টেমের সম্পূর্ণ ডিজিটাল রূপান্তর নিশ্চিত করেছে। আধুনিক ফ্ল্যাগশিপ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিটিআইকে গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অ্যাক্সেস ও ইক্যুইটির প্রতি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষাদান, শেখানো ও গবেষণার মান উন্নয়ন এবং জাতীয় ও আঞ্চলিক আর্থসামাজিক চাহিদা পূরণে কাজ করছে।’
ড. মোহাম্মদ নুরুজ্জামান আরও বলেন, ‘জেড জেনারেশনের জন্য প্রয়োজনীয় সব সহায়তামূলক পরিষেবা ও সুবিধায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে আমরা একটি ব্যাপক শিক্ষামূলক ইকোসিস্টেম তৈরি করার চেষ্টা করছি।’