জাতীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিলের (এনএইচআরডিএফ) আর্থিক সহায়তায় অনুষ্ঠিত হলো ‘পেইন্টিং ফর কনস্ট্রাকশন’ শর্ট কোর্সের (লেভেল-২,৩৬০ ঘণ্টা) উদ্বোধনী ক্লাস। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় বার্জার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে এই ক্লাস হয়।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এনএইচআরডিএফের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. কামাল হোসেন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের যুগ্ম সচিব ও এনএইচআরডিএফের (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন ও অর্থায়ন) মোহাম্মদ জহিরুল কাইয়ুম।
বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন মিসেস রূপালী চৌধুরী, ব্যবস্থাপনা পরিচালক; তানজিন ফেরদৌস আলম, প্রধান বিপণন কর্মকর্তা; সবুজ স্বপন বড়ুয়া, হেড চ্যানেল এনগেজমেন্ট; চলচ্চিত্রের নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, বার্জার লাক্সারি সিল্ক; মো. সোলায়মান মিয়া, অধ্যক্ষ, বার্জার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট-সহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে বার্জার পেইন্টসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া আর্থিক সহযোগিতা আমাদের অনেক অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। বিশ্বাস করি, বার্জার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আগামীতে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করতে সক্ষম হবে। এ লক্ষ্যেই ইতিমধ্যে বার্জার পেইন্টার্স ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটকে বার্জার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে পরিণত করেছি। এই পর্যায়ে বলতে চাই, এককভাবে কিছু করতে চাইলে তা বেশ কষ্টসাধ্য এবং সময়সাপেক্ষ হয়। বরং সবার সহযোগিতা নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে।’
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এনএইচআরডিএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মো. কামাল হোসাইন। তিনি বলেন, ‘বার্জার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’ তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ শেষে কর্মজীবনে প্রশিক্ষণে পাওয়া জ্ঞান প্রয়োগে নিজেদের ব্যক্তি জীবনের উন্নয়নে মনোযোগী হতে নির্দেশ দেন।
সবশেষে বার্জারের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা তানজিন ফেরদৌস আলম বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে আমাদের গ্রাহকের মতামত নিতে গিয়ে পেইন্টিং শিল্পে গ্রাহককে সেবা প্রদানে নারীদের চাহিদার গুরুত্ব অনুভব আমরা অনুভব করেছি। আর এভাবেই প্রথমে ছোট পরিসরে নিজস্ব অর্থায়নে বার্জার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নারীদের শর্ট কোর্সের আওতায় এনে পেইন্টার হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং পরবর্তীতে এই প্রশিক্ষিত নারীদেরকে বার্জারেই চাকরি দেওয়া হচ্ছে।’
গত ৬ এপ্রিল প্রশিক্ষণের জন্য আগ্রহী প্রশিক্ষণার্থীদের আবেদন করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণি পাস নারী-পুরুষ প্রার্থীরা প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য বিবেচিত হয়। এ ছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধী, সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরাও এই প্রশিক্ষণের জন্য যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। সব যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে ২৪ জন প্রশিক্ষণার্থী রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে উদ্বোধনী ক্লাসে অংশ নিয়েছে।