সরকার যখন সৌর বিদ্যুতের প্রসারে নানান উদ্যোগ নিচ্ছে তখন নিজেদের উদ্ভাবিত সৌর বিদ্যুতের ইনভার্টার এবং এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম বাজারে নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। বুধবার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের ব্যবসায়ীদের সামনে পণ্যগুলোর বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন হুয়াওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে শিল্প খাতের জন্য প্রথম ৫০০ কিলোওয়াটের বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিড-ফর্মিং স্মার্ট স্ট্রিং ইনভার্টার-এর পাশাপাশি উন্নত ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম উন্মোচন করা হয়।
অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ডিজিটাল পাওয়ার ডিপার্টমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর উইল ইউ বলেন, ‘ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমের সঙ্গে সৌরবিদ্যুতের সমন্বয় বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি রূপান্তরের মূল ভিত্তি হয়ে উঠছে। শুধু সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এখন আর যথেষ্ট নয়— নবায়নযোগ্য জ্বালানি যখন প্রয়োজন, তখন তা নিশ্চিত করতে আমাদের ইন্টেলিজেন্ট এনার্জি স্টোরেজ এবং গ্রিড-ফর্মিং প্রযুক্তি দরকার। উদ্ভাবনী সোলার+স্টোরেজ সমাধানের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে বাংলাদেশকে আরও স্মার্ট, স্থিতিস্থাপক ও টেকসই বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করতে হুয়াওয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
হুয়াওয়ে সোলার ইনভার্টার সলিউশন ব্যবহারকারী প্যারামাউন্ট গ্রুপের টেকনিক্যাল বিভাগের প্রধান মাসুদ রানা কেস স্টাডি হিসেবে প্যারামাউন্টের ১০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
হুয়াওয়ের ইনভার্টার বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘লালমনিরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের মতো বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্যারামাউন্টের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো অবস্থিত। এসব এলাকা অত্যন্ত ধুলোময় হওয়ায় ইনভার্টারের উচ্চমাত্রার আইপি (ইনগ্রেস প্রোটেকশন) সুরক্ষা থাকা জরুরি ছিল। তাই ইনভার্টারের আইপি রেটিং-কে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।’
অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি আসেননি।