হোম > অর্থনীতি

চার খাতে কর্মী নিতে চায় নর্থ মেসিডোনিয়া, মাসিক বেতন ৪০০ ইউরো

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ নর্থ মেসিডোনিয়া। আজ বুধবার রাজধানীর ইস্কাটনে অবস্থিত প্রবাসীকল্যাণ ভবনের প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাতে এই আগ্রহের কথা জানান নর্থ মেসিডোনিয়ার রাষ্ট্রদূত স্লোবোদান ইউজোনোব। 

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমরা নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টির চেষ্টা করছি। নর্থ মেসিডোনিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আজ সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। নর্থ মেসিডোনিয়া নতুন শ্রমবাজার। তারা নতুন দেশ হিসেবে আমাদের দেশ থেকে কর্মী নেবে। সে ব্যাপারেও আলাপ-আলোচনা হয়েছে।’ 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সংযুক্ত আরব-আমিরাতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অনেক পুরোনো। এই সম্পর্ক বাড়ানো এবং এ দেশের বাজারকে আরও যাতে সমৃদ্ধ করা যায়, সে ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।’ 

প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, মেসিডোনিয়ার রাষ্ট্রদূত ও প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাতে আইটি, মেডিকেল, কৃষি ও নির্মাণ খাতে কর্মী নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন নর্থ মেসিডোনিয়ার রাষ্ট্রদূত। এই খাতগুলোতে দক্ষ কর্মী নিতে চায় তারা। এই খাতগুলোতে কাজ করা কর্মীর ন্যূনতম মাসিক আয় ৪০০ ইউরো হবে। তবে কী পদ্ধতিতে তারা কর্মী নেবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।’

সূত্র আরও জানিয়েছে, কর্মী নিতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সমঝোতা চুক্তির কথা বলা হয়েছে। এ সময় নর্থ মেসিডোনিয়ার রাষ্ট্রদূত সমঝোতা স্মারকের নমুনা চেয়েছেন। শিগগিরই নমুনা সমঝোতা স্বারক মেসিডোনিয়ায় পাঠানো হবে বলে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন।

স্কয়ার ফার্মার ১০ লাখ শেয়ার কিনবেন রত্না পাত্র

ভেনামি চিংড়ির পোনা আমদানি স্থগিত

বন্ধ ও লভ্যাংশহীন কোম্পানির জন্য হচ্ছে ‘আর’ ক্যাটাগরি

পাঁচ ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি

বাংলাদেশ-নেপাল বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্তের পথে

ব্যবসায়িক সংগঠনের সনদ দেওয়ার ক্ষমতা থাকছে না

চট্টগ্রাম বন্দর: ৪৫ লাখ টন পণ্য নিয়ে ভাসছে বড় বড় জাহাজ

বাজারদর: সবজির দাম চড়া, চাল চিনি, মুরগিও ঊর্ধ্বমুখী

২০২৬ সালের জেসিআই ইন বিজনেস কমিটি ঘোষণা

এলপিজি সংকটের জন্য ইরান পরিস্থিতি দায়ী: বিইআরসি চেয়ারম্যান