হোম > অর্থনীতি

এক বছরের ব্যবধানে গ্রাহক বেড়েছে সাড়ে ১৭ লাখ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিংসেবা পৌঁছে দিতে চালু হওয়া এজেন্ট ব্যাংকিং এখন সারা দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বড় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। ঘরের কাছেই লেনদেন, সঞ্চয় ও ঋণসুবিধা পাওয়ায় এ সেবার প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ছে দ্রুত। ফলে গত এক বছরে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকসংখ্যা বেড়েছে সাড়ে ১৭ লাখের বেশি। একই সময়ে আমানত ও ঋণ বিতরণে দেখা গেছে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকসংখ্যা ছিল ২ কোটি ৪০ লাখ ৭৮ হাজার ২৩০। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫৮ লাখ ৩২ হাজার ৯৮১-তে। অর্থাৎ এক বছরে নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছেন ১৭ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫১ জন, প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সহজ প্রাপ্যতা ও দ্রুত সেবাই এজেন্ট ব্যাংকিং জনপ্রিয় হওয়ার মূল কারণ। গ্রাহকদের আর জেলা বা উপজেলা শহরে গিয়ে ব্যাংকের শাখায় লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে না। স্থানীয় এজেন্ট পয়েন্ট থেকেই জমা, উত্তোলন, বিল পরিশোধ ও বিভিন্ন ধরনের ঋণসেবা মিলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ঋণ বিতরণে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি দেখা গেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এজেন্ট ব্যাংকিং চ্যানেলে ঋণ বিতরণ ছিল ২৪ হাজার ২৮ কোটি টাকা। এক বছর পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ২৩ কোটি টাকায়। এক বছরে ঋণ বেড়েছে প্রায় ১০ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা, প্রবৃদ্ধি ৪৫ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

এ বিষয়ে ব্যাংক এশিয়ার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আরফান আলী বলেন, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের লক্ষ্য ছিল গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিংসেবার আওতায় আনা। কৃষি ও ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রবাহ বাড়াতেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তাঁর মতে, সঠিক তদারকি ও মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা গেলে এ খাত আরও শক্ত ভিত্তি পাবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আমানত সংগ্রহেও ধারাবাহিক উত্থান হয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে আমানত ছিল ৪১ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তা বেড়ে হয়েছে ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরে আমানত বেড়েছে ৭ হাজার ৭৬৪ কোটি টাকা বা ১৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।

তবে প্রবৃদ্ধির বিপরীতে এজেন্ট ও আউটলেটের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এজেন্ট সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ২১। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে হয়েছে ১৫ হাজার ৩২৭। এক বছরে এজেন্ট কমেছে ৬৯৪ জন। আর ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আউটলেট ছিল ২১ হাজার ২৪৮টি। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে হয়েছে ২০ হাজার ৫০১টি। এক বছরে আউটলেট কমেছে ৭৪৭টি। তবে সেবাদাতা ব্যাংকের সংখ্যা ৩১টি অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, এই সেবার মূল লক্ষ্যই ছিল ব্যাংক থেকে দূরে থাকা মানুষের কাছে পৌঁছানো, তা এখন সফলভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে।

তৈরি পোশাক রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলার করতে নতুন সরকারের সহযোগিতা চান মালিকেরা

এডিবির দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক হলেন সোনা শ্রেষ্ঠা

গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে হিমশিম খাবে নতুন সরকার

ঢাকার পানিদূষণ কমাতে চার হাজার কোটি টাকা ঋণ দিল বিশ্বব্যাংক

রমজানে ব্যাংকিং লেনদেন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের নতুন নাম ‘স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক’

রমজানের আগে চট্টগ্রাম বন্দরে চাপ

রমজানে ব্যাংক লেনদেনের সময় পরিবর্তন

নভোএয়ারে কক্সবাজার ভ্রমণ প্যাকেজ, পরিশোধ করা যাবে কিস্তিতে

বাজারে ‘ফ্রেশ কফি’ নিয়ে এসেছে এমজিআই