বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকার ৮ লাখ ৯ হাজার টন চাল আমদানির জন্য বেসরকারি ১৬৩ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। আজ শনিবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাজা আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বেসরকারি পর্যায়ে নন–বাঁশমতি সেদ্ধ ও আতপ চাল (সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ভাঙাদানা) আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গতকাল ৯২টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ৪৮ হাজার টন সেদ্ধ এবং ৪৩ হাজার টন আতপ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গত বুধবার ৭১টি প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ৬২ হাজার টন সেদ্ধ ও ৫৬ হাজার টন আতপ চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে বরাদ্দ আদেশ জারির ১৫ দিনের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে হবে এবং এ সংক্রান্ত তথ্য (বিল অব এন্ট্রিসহ) খাদ্য মন্ত্রণালয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ই–মেইলে অবহিত করতে হবে। বরাদ্দপ্রাপ্ত আমদানিকারককে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সমুদয় চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। বরাদ্দের অতিরিক্ত চাল স্বত্বাধিকার প্রতিষ্ঠানের নামেন পুনঃপ্যাকেটজাত করা যাবে না। প্লাস্টিক বস্তায় আমদানি করা চাল বিক্রি করতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাংকে ঋণপত্র খুলতে ব্যর্থ হলে বরাদ্দ আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে বলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাজা আব্দুল হান্নান আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রথম ধাপে ৭১টি প্রতিষ্ঠান এবং দ্বিতীয় ধাপে ৯২টি প্রতিষ্ঠানকে চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আবেদনের ভিত্তিতে অন্যান্যদেরও অনুমোদন দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে বিদেশ থেকে চাল আমদানির খবরে প্রথমদিকে বাজারে দাম কিছুটা কমলেও গত সপ্তাহে রাজধানীর পাইকারি বাজারে কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ৩ টাকা এবং খুচরা বাজারে ২ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।