হোম > অর্থনীতি

সরকারি ব্যয়ে লাগাম টানতে নতুন গাড়ি কেনা ও বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন গাড়ি কেনা, সরকারি অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ ও বিদেশে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে নতুন ভবন নির্মাণ, ভূমি অধিগ্রহণ ও সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

আজ বুধবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করেছে। এতে স্বাক্ষর করেছেন অর্থ বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্দেশনাগুলো সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান; সরকারি খাতের করপোরেশন এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

পরিপত্র অনুযায়ী, পরিচালন বাজেটের আওতায় সব ধরনের থোক বরাদ্দ থেকে ব্যয় বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনার জন্য বরাদ্দ করা অর্থও ব্যয় করা যাবে না। তবে ১০ বছরের বেশি পুরোনো টিওঅ্যান্ডইভুক্ত যানবাহন প্রতিস্থাপন ও নবগঠিত সরকারি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত যানবাহন অর্থ বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে কেনা যাবে। এ ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ছাড়া নতুন বা প্রতিস্থাপিত সব জিপ ও কার অবশ্যই সম্পূর্ণ বিদ্যুচ্চালিত হতে হবে।

নতুন আবাসিক, অনাবাসিক বা অন্যান্য ভবন নির্মাণেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো চলমান প্রকল্পের নির্মাণকাজ ৭০ শতাংশ বা তার বেশি শেষ হয়ে থাকলে অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে অবশিষ্ট কাজে ব্যয় করা যাবে। পরিচালন বাজেটের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণ ও সরকারি কর্মচারীদের গাড়ি কেনার জন্য সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম বা ঋণ প্রদানও স্থগিত রাখা হয়েছে।

উন্নয়ন বাজেটের আওতায়ও নতুন মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনা যাবে না। তবে পরিপত্র জারির আগে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে এ শর্ত শিথিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ বা বিশেষ প্রয়োজনে সংরক্ষিত বরাদ্দ থেকে অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রেও অর্থ বিভাগের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রেও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে সব ধরনের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ বন্ধ থাকবে। তবে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বিদেশি সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে বৃত্তি, ফেলোশিপ কিংবা প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বিদেশে পরিদর্শন নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, পরিচালন ও উন্নয়ন—উভয় বাজেটের প্রতিটি ব্যয়ে সর্বোচ্চ মিতব্যয়িতা অনুসরণ করতে হবে এবং সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

আমানতকারীরা সুদসহ টাকা ফেরত পাবেন—পাঁচ ব্যাংক নিয়ে অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের ৬২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি দিল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

পরিমাপে কারচুপির অপরাধে রমনা পেট্রলপাম্পকে বিএসটিআইয়ের জরিমানা ও ২ ইউনিট সিলগালা

জনতা ব্যাংকের ৫০ কর্মকর্তাকে নিয়ে ফাউন্ডেশন কোর্স উদ্বোধন

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা শেষ—ট্রাম্পের ঘোষণার পরই বাড়ল তেলের দাম

ইরানে মার্কিন হামলার পর আরও ৩ শতাংশ বাড়ল তেলের দাম

শিল্পসেবার বিস্তারেও গ্রামীণ অর্থনীতি এখনো কৃষিনির্ভর

ঋণের চাকা আবার ঘুরছে

সঞ্চয়পত্রের বিক্রি ইতিবাচক ধারায়