হোম > অর্থনীতি

ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হরিলুট, অর্থ পাচার হয়েছে: বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

বিদ্যুতের ক্যাপাসিটি চার্জের সমালোচনা করে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ খাতে হরিলুট ও অর্থ পাচার হয়েছে। সরকার ক্যাপাসিটি চার্জ পর্যালোচনা করছে। বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তিতে কিছু বিতর্কিত শর্তের কারণে জনগণের ওপর ব্যয়ের বোঝা বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে, যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ এবং বিগত বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতি এবং এ খাতে সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের ফলে বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিদ্যুৎ খাতে হরিলুট ও অর্থ পাচার হয়েছে। এ সময়ে সম্পাদিত বেশ কিছু মেগা প্রকল্পে একতরফা ও বিতর্কিত শর্ত যুক্ত থাকায় বিদ্যুৎ আমদানি ও ক্রয়ে অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা আমাদের ওপর চেপে বসেছে। উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয়মূল্যের পার্থক্যের কারণে চলতি অর্থবছরে এ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে।’

বর্তমান বিএনপি সরকার বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতিতে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলেও বক্তব্যে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধপূর্বক এই খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহণসহ নিবিড় মনিটরিং করা হচ্ছে। আমরা অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছি এবং সর্বনিম্ন ব্যয়ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বা লিস্ট কস্ট জেনারেশন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ক্যাপাসিটি চার্জ ও বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি পর্যালোচনার মাধ্যমে এ খাতে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

বিদ্যুৎ খাতের ট্যারিফ যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র পদ্ধতিতে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যয়বহুল হওয়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির যন্ত্রাংশ যেমন—সোলার, উইন্ড ও ব্যাটারি প্ল্যান্ট দেশে উৎপাদনে বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা ও প্রণোদনা দেওয়া হবে। সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ২০৫০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, রুফটপ সোলার কার্যক্রম জোরদারকরণ, উপকূলীয় ও এর নিকটবর্তী অঞ্চলসমূহে বায়ুবিদ্যুৎ সমীক্ষা বাস্তবায়ন, বৃহৎ ইউটিলিটি স্কেল সৌর প্রকল্প বাস্তবায়ন, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন-সংক্রান্ত সার্ভে, সমীক্ষা পাইলট প্রকল্প ও বাণিজ্যিক প্রকল্প বাস্তবায়ন, জাতীয় এনার্জি স্টোরেজ রোডম্যাপ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং গ্রিড ফ্লেক্সিবিলিটি কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।

মেট্রোরেল ভবনে সোনালী ব্যাংকের উপশাখার উদ্বোধন

জুলাই শহীদ ও আহতদের আবাসনের জন্য বরাদ্দ ৩০০ কোটি, ভাতাভোগী বাড়ছে ১,৮৫৭ জন

বরাদ্দ বাড়ছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়, প্রস্তাব ১০ হাজার ৩৫০ কোটি

পিসিএএফর সিগনেটরি হিসেবে বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়ন উদ্যোগে যুক্ত হলো প্রাইম ব্যাংক

একাধিক গাড়ি থাকলেই দিতে হবে পরিবেশ সারচার্জ

বাজেটে বেসরকারি খাতে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে: সিপিডির খন্দকার গোলাম

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জন্য ৪,৪০১ কোটি টাকার প্রস্তাব

মার্কেট-শপিং মল খোলা রাখার নতুন সময়, আজ থেকেই কার্যকর

আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে সারা বছর

প্রান্তিক অর্থনীতি উদ্দীপনায় ৬০ হাজার কোটি টাকা