হোম > অর্থনীতি

রাজধানীর কাঁচাবাজার: লেবু ও সবজির দাম কমেছে পানির চেয়েও সস্তা আলু

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ছবি: আজকের পত্রিকা

সিয়াম বা সংযম সাধনার মাস পবিত্র রমজানের এক সপ্তাহ পেরিয়েছে। নিত্যপণ্যের বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে প্রাথমিক হুড়াহুড়ি থেমে কেনাকাটার চাপ অনেকটাই কমেছে। আর কেনার চাপ কমায় লেবু, বেগুন, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজসহ অন্যান্য রোজাসংশ্লিষ্ট পণ্যের আগুন দামও ঠান্ডা হয়ে আসছে। এ ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কমপক্ষে কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমেছে। আলুর দাম আরও কমে ‘পানির দরে’ নেমেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর খিলগাঁও, সেগুনবাগিচা, মানিকনগরসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়।

গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, রোজার আগের দিন যে লেবু ১০০ টাকা হালি উঠেছিল, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। বড় কিছু লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়, যা রোজার আগে ১৫০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল। দাম আগুন হওয়ায় সীমিত আয়ের অনেকেই বাধ্য হয়ে লেবু কেনা কমিয়ে দেন। অনেকে এমনকি কেনা বাদও দেন। এভাবে চাহিদা কিছুটা কমে যাওয়ায় পণ্যটির বাজার ঠান্ডা হওয়ার অন্যতম কারণ।

বাজারে কিছু কিছু সবজির দাম কমে অর্ধেকে নেমেছে। আলুর দাম কিছুদিন আগে থেকেই কম ছিল। নতুন করে আরও কমে ১৫-২০ টাকায় নেমেছে। বনশ্রী এলাকায় ভ্যানগাড়ি থেকে ডেকে ডেকে ‘এক শ টাকায় ৬ কেজি!’ করে হাঁকতে দেখা যায় এক বিক্রেতাকে। এ ছাড়া ভোজ্যতেল, ডালসহ বিভিন্ন মুদিপণ্যের দাম স্থির রয়েছে। তবে ছোলার দাম কিছুটা কমেছে।

রোজার আগে কাঁচা মরিচের দামও বেড়ে ২০০ টাকা পেরিয়ে গিয়েছিল। গতকাল বিভিন্ন বাজারে খুচরায় ভালো মানের কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা কেজিতে। সাধারণ মানের মরিচ পাওয়া যাচ্ছে ১২০ টাকায়ও। এ ছাড়া ক্ষীরা, শসা, বেগুন, গাজরসহ রোজায় চাহিদা বাড়ে এমন সবজির দাম কমেছে প্রতি কেজিতে ২০-৩০ টাকা।

গতকাল খুচরায় বেগুন বিক্রি হয়েছে ৮০-১০০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগেও তা ছিল ১২০ টাকার ওপরে। টমেটোর দাম নেমেছে ৪০-৫০ টাকা কেজির মধ্যে, যা ছিল ৬০-৮০ টাকা। শসা, ক্ষীরা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে।

গরম পড়ে যাওয়ায় বাজারে শিমের খুব একটা চাহিদা নেই। এতে দাম কমে ৪০-৫০ টাকায় নেমেছে। ৪০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে মুলা, গাজর, পেঁপে, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ পাঁচ থেকে ছয় ধরনের সবজি। লাউ আগের মতোই ৬০-৮০ টাকা প্রতিটি।

দু-একটা জাতের সবজির দাম আবার অস্বাভাবিক রকম বেড়েছে। করলার দাম বেড়ে ১৮০ টাকা কেজিতে উঠেছে। উচ্ছের দাম কিছুটা কম, ১৪০-১৫০ টাকা কেজি। ঢ্যাঁড়স বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। কচুর লতি ১২০ টাকা কেজি। এসব সবজির দাম প্রতি কেজিতে ৪০-৫০ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

রাজধানীর খিলগাঁও বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. মোতালেব বলেন, ‘এমনিতেই প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে লেবুর দাম বেশি থাকে। তার ওপর রোজার চাহিদায় দাম কিছুটা বেড়েছিল। তবে এখন আবার কমে আসছে। অন্যান্য সবজির চাহিদাও অনেকটাই কমেছে। এ কারণে দামও কমছে।’

পেঁয়াজের দামও কমেছে। দেশি মুড়িকাটা জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ৫০-৬০ টাকা ছিল।

মুদিপণ্যের দামেও কিছুটা শিথিলতা দেখা গেছে। ছোলার দাম কিছুটা কমে ৮০-১০০ টাকায় নেমেছে, যা ১০০ থেকে ১১০ টাকা ছিল। এ ছাড়া খোলা পাম তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমে ১৫০-১৬০ টাকায় নেমেছে। তবে সয়াবিন তেল, চিনিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্য আগের দামেই স্থির রয়েছে। খোলা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০০-১০৫ টাকা কেজি। খোলা সয়াবিন তেল ১৭৫-১৮৫ টাকা লিটার।

জানতে চাইলে সেগুনবাগিচা বাজারের মুদিব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান সিফাত বলেন, ‘রোজার আগে অনেক মানুষ ১৫ দিন থেকে এক মাসের বাজার একসঙ্গে করেছেন। তাই কিছুটা দাম বেড়েছিল। এখন কেনাকাটার সে চাপ না থাকায় দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে নেমেছে।’

কমেছে ফার্মের মুরগির দামও। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬৫-১৮০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগেও তা ছিল ১৯০-২০০ টাকা কেজি।

উন্নয়নের নতুন হিসাব: ছোট উদ্যোগ বড় হলেই প্রবৃদ্ধি এগোয়

উন্নয়নের নতুন হিসাব: অর্থনীতির জন্য চাই নতুন মডেল

আগোরায় শুরু সপ্তাহব্যাপী ‘মাছের মেলা’, মিলছে বিশেষ মূল্যছাড়

মধুমতি মডেল টাউন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠন

২৫টি এয়ারক্রাফটে ২০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা

আইডিআরএ: সম্পদ বিক্রি করেই বিমা দাবি শোধের পরিকল্পনা

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন: মূল্যস্ফীতির চাপে বাড়ছে ক্রেডিট কার্ডে ধার

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আবেদুর রহমান সিকদার

অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে আটাব নির্বাচন স্থগিত

হুন্দাই গাড়ির সার্ভিসে বিশেষ অফার, চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত