হোম > অর্থনীতি

বাংলাদেশকে ১১০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন সচল রাখা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও সারের বাজারের অস্থিরতা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১১০ কোটি মার্কিন ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থায়ন অনুমোদন করেছে সংস্থাটি।

বাংলাদেশ সময় আজ শনিবার ওয়াশিংটন থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতি এবং সরকারের সীমিত আর্থিক সক্ষমতার প্রেক্ষাপটে এই সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এতে কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সংকটকালে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জ্যঁ পেসমে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বেড়েছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী। এই সহায়তার মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারগুলোর জীবিকা ও কর্মসংস্থান সুরক্ষায় সহায়তা করা হবে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্পের আওতায় ৩০ কোটি ডলার দেওয়া হবে। এই অর্থ দিয়ে ২০২৬ সালের আমন ও ২০২৬-২৭ সালের বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে অর্থায়ন করা হবে।

বাংলাদেশে ব্যবহৃত মোট সারের ৮৫ শতাংশের বেশি আমদানিনির্ভর। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ লাখ মেট্রিক টন সার আমদানি করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া। এতে প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ক্ষুদ্র কৃষকদের ধান উৎপাদন অব্যাহত রাখতে সহায়তা মিলবে।

প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার ও বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ সুলেমানে কুলিবালি বলেন, দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশই আমন ও বোরো মৌসুমে হয়। আবার দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ কৃষি খাতের সঙ্গে যুক্ত। ফলে সারের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে তা শুধু খাদ্যনিরাপত্তাই নয়, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ ডলার দেওয়া হবে। এই অর্থ দ্রুত ছাড় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নগদ সহায়তা, জীবিকা পুনরুদ্ধার কর্মসূচি এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহসহ জরুরি সেবা চালু রাখতে জ্বালানি ও জ্বালানি তেল আমদানিতেও অর্থায়ন করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের প্রধান দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ও প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত অর্থ ছাড়ের সুযোগ দেওয়া হবে। এর ফলে সংকটের সময় মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থান সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

আজকের পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানাল আবুল খায়ের গ্রুপ

৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: আজকের পত্রিকার পথচলায় শুভকামনা জানাল মেঘনা গ্রুপ

আজকের পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের শুভেচ্ছা

টানা দুই দফা কমার পর বাড়ল সোনার দাম

এডিপি বাস্তবায়ন: অর্ধেকও খরচ হয়নি ১১ মাসে

বিশ্ব এমএসএমই দিবস-২০২৬ উদ্‌যাপন সাতজন উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দিল প্রাইম ব্যাংক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের ৯০ জন নারী উদ্যোক্তা পেলেন ব্র্যাক ব্যাংকের ‘আমরাই তারা’ প্রশিক্ষণ

১০ লাখ মার্চেন্টের বাংলা কিউআরে ‘নগদ’ পেমেন্ট

চূড়ান্ত বাজেটে তামাকের করকাঠামো সংস্কারের দাবি

পিপলস ইনস্যুরেন্সের ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ অনুমোদন