হোম > অর্থনীতি

থাইল্যান্ডে নির্মাণ, কৃষি ও পর্যটন খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার আহ্বান

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবারের আট সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বুধবার বোয়েসেলের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের নির্মাণ, কৃষি এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)। একই সঙ্গে দেশটির শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী পাঠাতে কারিগরি প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওরিয়েন্টেশনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানানো হয়।

বুধবার থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবারের আট সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়। থাইল্যান্ডের সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবারের চেয়ারম্যান নিরুত্তি সুথিনন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন। অন্যদিকে বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বাংলাদেশি পক্ষের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকে বোয়েসেলের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল, নৈতিক, নিরাপদ ও স্বল্প ব্যয়ে দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিদ্যমান মডেল সম্পর্কে থাই প্রতিনিধিদলকে অবহিত করা হয়। বোয়েসেলের এই মডেলে সন্তোষ প্রকাশ করে থাই প্রতিনিধিদল নৈতিক ও নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।

বৈঠকে থাইল্যান্ডের নির্মাণ, কৃষি এবং পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়ে দেশটির সিনেট স্ট্যান্ডিং কমিটি অন লেবারের প্রতি আহ্বান জানায় বোয়েসেল।

বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বলেন, থাইল্যান্ডের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী পাঠানোর আগে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের কারিগরি প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ওরিয়েন্টেশন দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন কর্মপরিবেশের সঙ্গে তাদের খাপ খাওয়ানো এবং নিরাপদ ও টেকসই কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

বৈঠকে উভয় পক্ষই দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজারভিত্তিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য থাইল্যান্ডে অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।

পাশাপাশি স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও নৈতিক অভিবাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।