হোম > অর্থনীতি

দেশে মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা: সংসদে অর্থমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

বর্তমানে দেশে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকা বলে জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তবে ঋণের এই বোঝা কমাতে সরকার রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, সুশৃঙ্খল তহবিল ব্যবস্থাপনা ও অপব্যয় কমানোর নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি।

আজ রোববার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদীয় অধিবেশনের সূচনা হয়। প্রশ্নোত্তর পর্বে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) রেজা আহাম্মেদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের সামগ্রিক ঋণ ও মাথাপিছু দেনার সর্বশেষ এই তথ্য তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের প্রত্যেক নাগরিকের গড়ে ১ লাখ ২৯ হাজার ২৩৯ টাকার ঋণের দায় রয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, জনগণের মাথাপিছু ঋণের বোঝা কমানোর লক্ষ্যে সরকার রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং ঋণ ব্যবস্থাপনাকে আরও সুশৃঙ্খল করার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। সরকারি নিজস্ব আয় বাড়ানোর মাধ্যমে ঋণের প্রয়োজনীয়তা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সরকারি ব্যয়কে অধিকতর সাশ্রয়ী ও ফলপ্রসূ করার এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সরকারের অর্থায়ন চাহিদা কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে রাজস্ব আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা, সরকারি ব্যয় ও ঋণের ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, উন্নত নগদ ব্যবস্থাপনা এবং বাজারভিত্তিক ঋণ ব্যবস্থাপনার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের ঋণ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা ও দীর্ঘ মেয়াদে জনগণের ওপর ঋণ চাপানোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

১৪ লক্ষাধিক কৃষকের ঋণ মওকুফ

চুয়াডাঙ্গা-৪ আসনের এমপি মো. রুহুল আমিনের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত জুলাই মাস পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণকারী মোট ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮২ জন কৃষকের আসল ও সুদসহ সমুদয় ঋণ মওকুফ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর কৃষক সুবিধাভোগীদের নিকট প্রাপ্য মোট ১ হাজার ৩৫২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা ভর্তুকি হিসেবে সরকার পরিশোধ করেছে।

চোরাচালান থেকে ২৫১৮ কেজি সোনা বাজেয়াপ্ত

সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ফরিদা ইয়াসমিনের প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চোরাচালানিদের কাছ থেকে মোট ২ হাজার ৫১৮ কেজি ৬৬৮ গ্রাম সোনা ও ৩৭৭ কেজি ৩৪৮ গ্রাম রুপা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।