হোম > অর্থনীতি

একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বারবার বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তিনি সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে বলেন, কেন প্রকল্পগুলো সময়মতো শেষ হচ্ছে না, তা খতিয়ে দেখে দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় মোট ২ হাজার ২৬৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ের ৮ প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন, তিনটি সংশোধিত এবং দুটি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ২ হাজার ২২৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ৩৭ কোটি ২৮ লাখ টাকা। সভায় মোট ১২ প্রকল্প উত্থাপন করা হয়। পরিকল্পনা কমিশনের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, সভায় খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী উপস্থাপন করা হলে প্রধানমন্ত্রী তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন একই প্রকল্প বারবার সংশোধন ও মেয়াদ বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। পরে প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠানো হয় এবং এর পেছনের দায়ীদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন তিনি।

একনেক সভায় প্রকল্প ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পে ব্যয়ের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেশি। ব্যয় কমানোর উপায় খুঁজতে হবে। একই সঙ্গে এলজিইডি, গণপূর্ত অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থার পৃথক রেট শিডিউল নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে সব সংস্থার রেট শিডিউল একীভূত করার তাগিদ দেন তিনি।

সভায় পরিবেশ ও বৃক্ষরোপণ নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। একসময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশে গাছের সারি ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক সড়কে সেই সবুজ পরিবেশ হারিয়ে গেছে। সড়কের পাশে ইউক্যালিপটাস ও ইপিল-ইপিলের পরিবর্তে দেশীয় ও পরিবেশবান্ধব গাছ লাগানোর নির্দেশনা দেন।

এ ছাড়া ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকার চীনা শিল্পাঞ্চল প্রকল্প ‘সাপোর্টিং ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রজেক্ট ফর চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন (সিইআইজেড)’, ১৪০৯ কোটি ২০ লাখ টাকার সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প এবং ২১৫ কোটি টাকার ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করেনি একনেক।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে—বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন, আনোয়ারা-বাঁশখালী-পেকুয়া-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন, ৩৩ জেলায় সার্কিট হাউস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ, ঢাকা সিএমএইচে ক্যানসার সেন্টার নির্মাণের দ্বিতীয় পর্যায়, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাপনা ও তথ্যব্যবস্থা (মেমিস) সহায়তা প্রকল্প, ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্প।

এ ছাড়া পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কেও একনেক সভাকে অবহিত করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন উন্নয়ন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যানজট নিরসন, ডাকসেবা সম্প্রসারণ, ঢাকা সেনানিবাসে প্রশিক্ষণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ এবং খুলনায় পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন প্রকল্প।

বিনিয়োগ বাড়াতে উৎসে কর কমানোর উদ্যোগ

বাড়তি বরাদ্দের সঙ্গে বাড়ছে ঋণের দায়

বিএডিসির ‘বাষ্প তাপে’ পোকা-জীবাণুমুক্ত হচ্ছে আম-সবজি, রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে চার খাতে অতিরিক্ত ভর্তুকির চাপ: সংসদে অর্থমন্ত্রী

পুঁজিবাজার কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে: সংসদে অর্থমন্ত্রী

বারবার মেয়াদ-ব্যয় বৃদ্ধি: একনেকে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ, খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রকল্প ফেরত

পরোক্ষ করনির্ভরতাই রাজস্বের ভরসা

আপত্তি সত্ত্বেও চীনা শিল্পাঞ্চল প্রকল্প উঠছে একনেকে

সাউথইস্ট ব্যাংকের মতিঝিল শাখার স্থান পরিবর্তন

বিগত সরকারের ভুল নীতির কারণে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে: সংসদে মন্ত্রী