হোম > সারা দেশ > ঠাকুরগাঁও

চাঁদা না পেয়ে বখাটেদের তাণ্ডব, যুবকের হাতে লাগল ৯২ সেলাই

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

আহত সালেকিন ফেরদৌস। ছবি: সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও শহরে ছেলেকে স্কুল থেকে নিয়ে স্ত্রীসহ মোটরসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন সালেকিন ফেরদৌস। পথে চাঁদার দাবিতে মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে বখাটেরা। দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা সালেকিনের ওপর তাণ্ডব চালায়। তাদের অস্ত্রের আঘাতে হাতে ৯২টি সেলাই নিতে হয়েছে সালেকিনকে।

আজ বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা করেছেন আহত সালেকিনের বোন শারমিন আখতার জাহান। এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সামনে হামলার এ ঘটনা ঘটে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সালেকিনকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মামলায় ঠাকুরগাঁও শহরের পূর্ব গোয়ালপাড়া এলাকার মো. রানা ও কলেজপাড়া এলাকার মো. সিয়ামের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে সালেকিন ফেরদৌস ও তাঁর স্ত্রীর কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা না দিলে তাঁদের সন্তানকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার বিকেলে সালেকিন তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিলেন। প্রেসক্লাবের সামনে পৌঁছালে আসামিরা তাঁদের গতি রোধ করেন।

এ সময় আসামিরা চাঁদা দাবি করলে সালেকিন তা দিতে অস্বীকার করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামি সিয়াম সালেকিনের বাম হাত চেপে ধরেন এবং রানা ধারালো ব্লেড দিয়ে তাঁর বাম হাতের কবজির ওপরে সজোরে কোপ দেন। এতে সালেকিনের হাতের রগ, লিগামেন্ট ও পেশি কেটে গুরুতর জখম হয়। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা অস্ত্র উঁচিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যান।

স্বজনেরা সালেকিনকে উদ্ধার করে প্রথমে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে ঢাকার শ্যামলীর অ্যালায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে চিকিৎসকেরা তাঁর হাতে ৯২টি সেলাই দিয়েছেন।

মামলার বাদী শারমিন আখতার বলেন, ‘আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে পঙ্গু করার চেষ্টা করা হয়েছে। আসামিরা এর আগেও চাঁদার দাবিতে আমার ভাইকে নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিল। বখাটেদের ভয়ে এখন আমরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। আমরা দ্রুত চিহ্নিত আসামিদের গ্রেপ্তার ও কঠোর শাস্তি চাই।’

আহত সালেকিনের ভাই শামীম ফেরদৌস বলেন, ‘আমার ভাইকে আঘাতকারীদের মধ্যে একজনের নামে দুটি হত্যা মামলা রয়েছে; কিন্তু পুলিশ এখনো তাঁকে গ্রেপ্তার করছে না।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজাহান আলী বলেন, ঘটনার লিখিত অভিযোগ পেয়েই মামলা হিসেবে রূপান্তর করা হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়েছে। আসামিরা ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযানে নেমেছে।

সাইকেল রেখে নিখোঁজ দুই কিশোর, ভোরে দিঘি থেকে মিলল মরদেহ

ঠাকুরগাঁওয়ে তালা ভেঙে দোকানে চুরি, যুবককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে দিল জনতা

ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২

‘প্রিসাইডিং অফিসারকে খুঁটিতে বেঁধে রাখবেন’, নির্বাচনী জনসভায় পরওয়ার

এমপির বক্তব্যে ইউএনওর হাততালি, সমালোচনার মুখে বললেন ‘ভাইরাল হতে চাই’

গৃহবধূ ও প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বিচার চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার পরিবার

বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে বিলম্ব, ‘অভিমানে’ আত্মহত্যা করলেন যুবক

ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক ঘটনায় শিশুসহ তিনজনের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওকে মাগুরা বানাবেন না, নির্বাচন হোক ঈদ উৎসবের মতো: আব্দুল হালিম

কাতার, তুরস্কসহ ১০ দেশের সংস্কৃতির দেখা মেলে ঠাকুরগাঁওয়ের জাদুঘরে