হোম > সারা দেশ > ঠাকুরগাঁও

রাণীশংকৈলে ইউএনও না থাকায় প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজে ভোগান্তি

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পদটি ২৭ জুলাই থেকে শূন্য। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পদটি ২৭ জুলাই থেকে শূন্য। ফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জের ইউএনওকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে উপজেলার দাপ্তরিক কাজ কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে। এতে প্রশাসনিক কাজে সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে উপজেলার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।

উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগের ইউএনও খাদিজা বেগম গত ২৭ জুলাই পদোন্নতিজনিত কারণে রাণীশংকৈল উপজেলা থেকে বিদায় নেন। পদটি শূন্য হওয়ায় পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জের ইউএনও গোলাম রব্বানী সরদারকে রাণীশংকৈল উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি তাঁর নিজের কর্মস্থল পীরগঞ্জের কার্যক্রম শেষ করে মাঝেমধ্যে রাণীশংকৈল উপজেলায় আসেন। ইউএনও নিয়মিত না থাকায় সময়মতো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের অনুমোদন মিলছে না। থমকে গেছে বিভিন্ন সামাজিক ও সরকারি জরুরি উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। এ ছাড়া জন্মনিবন্ধনসহ নানাবিধ কাজে ইউএনওকে সময়মতো না পাওয়ায় বেশ ভোগান্তিতে পড়ছে সাধারণ মানুষ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার একাধিক কর্মকর্তা জানান, বিভিন্ন সময় জরুরি দাপ্তরিক কাজে ইউএনওর পরামর্শ কিংবা স্বাক্ষর প্রয়োজন। বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও পীরগঞ্জ উপজেলায় থাকেন। তিনি রাণীশংকৈল উপজেলায় না আসলে তাঁদের পীরগঞ্জ উপজেলায় যেতে হয়। সেখানে ইউএনওকে না পেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। এতে দাপ্তরিক কাজে ব্যাঘাতসহ বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।

সন্ধারই গ্রামের কৃষক হাসেম রেজা বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স নেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে কয়েক দিন ধরে উপজেলা পরিষদে ঘুরছেন। তিনি জানান, বেশ কয়েক দিন ধরে ঘুরেও ইউএনওর সাক্ষাৎ পাননি।

অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও গোলাম রব্বানী সরদার জানান, রাণীশংকৈল উপজেলায় ইউএনও যোগদান না করা পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম বলেছেন, খুব শিগগির রাণীশংকৈল উপজেলায় ইউএনও নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।