হোম > সারা দেশ > ঠাকুরগাঁও

সরে গেলেন মাসুদ, ধানের শীষে মির্জা ফখরুলের ভাই

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন (বাঁয়ে) ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ। ছবি: সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্যে জেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফয়সল আমিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে।

আজ সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশিদ বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে ওবায়দুল্লাহ মাসুদ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।

এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বিএনপির দুই নেতা মো. ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও মির্জা ফয়সল আমিনসহ মোট ছয় প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই বিএনপির ‘ধানের শীষ’ প্রতীক শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছিল।

মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পর ওবায়দুল্লাহ মাসুদ জানিয়েছিলেন, দল থেকে একই দিনে তাঁদের দুজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এবং কেন্দ্রের নির্দেশেই তাঁরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রতীক বরাদ্দের আগে দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম পাঠানো হবে। সেখানে যাঁর নাম থাকবে, তিনিই ‘ধানের শীষ’ প্রতীক পাবেন। অন্যজন দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন।

ওবায়দুল্লাহ মাসুদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে বিএনপির দুই প্রার্থীর মধ্যে কে ধানের শীষ পাচ্ছেন, সেই প্রশ্নের উত্তরও কার্যত স্পষ্ট হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফয়সল আমিনের নাম পাঠানো এবং তাঁকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা বাকি।

এ আসনে বিএনপির পাশাপাশি ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুকের মনোনয়নও বৈধ হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর এবং প্রতীক বরাদ্দ ৮ অক্টোবর। এরপর শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার। ২৯ অক্টোবর এ আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।