হোম > সারা দেশ > টাঙ্গাইল

সখীপুরে দোকানঘরসহ সোয়া ৭ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 

গতকাল সন্ধ্যায় বেড়বাড়ি বাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী এস এ শাহীন। ছবি: সংগৃহীত

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ি বাজারে দোকানঘরসহ ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বেড়বাড়ি বাজারে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন স্থানীয় বাসিন্দা এস এ শাহীন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এস এ শাহীন বলেন, বেড়বাড়ি বাজারে তাঁর ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ জমি নিয়ে দোকানের ভাড়াটিয়াসহ কয়েকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে একটি মামলায় আদালত তাঁর পক্ষে রায় দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

তাঁর অভিযোগ, বিবাদীপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর পর সংঘবদ্ধভাবে তাঁর মালিকানাধীন জমি ও দোকানঘর দখল করে নেয়। স্থানীয় শাহীন মিয়া (৪৫), লেবু মিয়া (৪৩), ফজল মিয়া (৪৭) ও নূরুল ইসলামসহ (৪০) আরও ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি তাঁর জমিতে প্রবেশ করে দোকানঘর দখলে নেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এস এ শাহীন আরও বলেন, দখলকারীদের মধ্যে তাঁর দোকানের ভাড়াটিয়া নূরুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর মামলা চলছিল। ওই মামলায় নূরুল ইসলাম হেরে যাওয়ার পর শাহীন মিয়া বিরোধপূর্ণ জমিটি কিনে নেন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের পরিচয় ব্যবহার করে তাঁর জমি দখল করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

নিজের সম্পত্তির অধিকার ফিরে পেতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এস এ শাহীন।

সংবাদ সম্মেলনে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক, বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল শিকদার, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন কাঁকন, স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজ উদ্দিন, জয়েন উদ্দিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে যাদবপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম বলেন, শাহীন মিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের কোনো নেতা নন। তবে তিনি তাঁর কাছে এসে পদে রাখার আবেদন করেছিলেন। তখন তাঁকে দলের পক্ষে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তিনি তাঁর কমিটির কোনো সদস্য নন বলেও জানান শহিদুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন, ‘এখন যদি তিনি দলীয় কোনো পদের কথা বলে ক্ষমতা দেখাতে চান, তবে তা সম্পূর্ণ অবৈধ।’

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহিন মিয়া মোবাইল ফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি একজন প্রবাসী। ২০২৪ সালে দেশে এসে নূরুল ইসলামের কাছ থেকে ওই জমি আমি কিনেছি। এ-সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র আমার কাছে আছে। বিষয়টি সকলেই অবগত। আমি কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’