হোম > সারা দেশ > সিলেট

সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: মন্ত্রীর আশ্বাসে বাদীর আস্থা

সিলেট প্রতিনিধি

ছবি: সংগৃহীত

সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সিলেটের রায়নগরের ত্রিপল মার্ডারের প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করা নিয়ে এত দিন পুলিশের ভূমিকায় সন্দিহান ছিলেন মামলার বাদী ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের আশ্বাসের পর এখন সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিয়ে আশ্বস্ত হয়েছেন তাঁরা।

আজ বুধবার দুপুরে নগরীর জল্লারপারের খান হাউসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন নিহত দম্পতির মেয়ে সেলিনা সুলতানা শিখা ও তাঁর বোন তারানা সুলতানা শিমু।

একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্‌ঘাটন ও অপরাধীদের বিচারের দাবিতে পাশে থাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সিলেটের জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সর্বস্তরের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তাঁরা।

সেলিনা সুলতানা বলেন, আমরা এত দিন সঠিক তদন্ত এবং বিচার নিয়ে সন্দিহান ছিলাম। কিন্তু মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাঁর আশ্বাসে আমরা এখন সঠিক তদন্ত ও বিচার নিয়ে আশ্বস্ত হয়েছি।

গতকাল মঙ্গলবার সিলেট সফরে আসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে নিহত পরিবারের সদস্যরা সাক্ষাৎ করেন। সিলেট শিল্পকলা একাডেমিতে এ সাক্ষাতে তাঁরা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তুলে ধরে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তের দাবি জানান। মন্ত্রী সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি তদন্ত দ্রুত শেষ করতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান তাঁরা।

সেলিনা বলেন, আমরা মামলায় নির্দিষ্ট কারও নাম আনিনি। কিন্তু ঘটনার পরম্পরা ও তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধী বের করার জন্য প্রশাসনকে দাবি জানিয়েছি। এটা প্রশাসনের কাজও।

গত ১২ আগস্ট রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার নিজ বাসায় খুন হন এম এ সাত্তার (৯০), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহকর্মী তাহমিনা বেগম (১৮)। এ ঘটনায় বাবুল মিয়া নামে এক রংমিস্ত্রিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানায়।

প্রথমে পুলিশ বাবুলের বরাত দিয়ে প্রেমের সম্পর্ককে হত্যার কারণ বললেও পরে তাঁর আদালতের জবানবন্দিতে টাকা চুরির কথা উঠে আসে। বাবুল বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। এর আগে ১৭ আগস্ট নিহত দম্পতির সন্তানরা প্রথম সংবাদ সম্মেলন করে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছিলেন।