শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, খাল খননের মাধ্যমে এই অঞ্চলের সেচব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে, যা কৃষি উৎপাদন বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে রবিশস্যসহ বিভিন্ন ফসলের উৎপাদন বেড়ে এলাকার কৃষকেরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। খালটি ব্যবহারের মাধ্যমে মাছ চাষ, হাঁস পালনসহ বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়ক হবে।
আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ১ নম্বর নিজপাট ইউনিয়নের ভুগলি খাল পুনঃখননকাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘদিন খালটি অবহেলিত থাকায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও বন্যা দেখা দেয়। খননকাজ সম্পন্ন হলে পানি ধারণক্ষমতা বাড়বে এবং বন্যার ঝুঁকি কমবে। একই সঙ্গে দুই গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সহজ করতে একটি সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। খালের দুই পাশে ফলদ ও বনজ গাছ রোপণের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
এ সময় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন এবং এলাকাবাসীকে এ কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগে এ ধরনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড টেকসই হবে।
অনুষ্ঠানে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশীদ, সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজ উদ্দিন, জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব রহমান মোল্লা, উপজেলা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিলন কান্তি রায়সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে মন্ত্রী জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জৈন্তাপুরে প্রস্তাবিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নির্ধারিত জায়গা পরিদর্শন করেন।