হোম > সারা দেশ > সিলেট

সিলেটে মাজারের ওয়াক্ফ এস্টেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ৩০

সিলেট প্রতিনিধি

হজরত শাহ তৈয়ব ছয়লানি (রহ.) ওয়াক্ফ এস্টেট মাজার ও মসজিদ এবং ৩৫-৪০টি দোকানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। ছবি : সংগৃহীত

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় হজরত শাহ তৈয়ব ছয়লানি (রহ.) ওয়াক্ফ এস্টেটের মাজার ও মসজিদ এবং এর আওতাধীন ৩৫-৪০টি দোকানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে থানার ওসিসহ অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন আহত হয়েছেন।

আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময় উপজেলার সিলাম চকের বাজার এলাকায় হজরত শাহ তৈয়ব ছয়লানি (রহ.) জামে মসজিদ ও ঈদগাহের সামনে এ সংঘর্ষ হয়। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে হজরত শাহ তৈয়ব ছয়লানি (রহ.) ওয়াকফ এস্টেটের মাজার, মসজিদ ও এর আওতাধীন ৩৫-৪০টি দোকানকোঠার নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা নিয়ে সিলাম শেখপাড়া এলাকায় দুই পক্ষের বিরোধ চলে আসছিল। আজ উভয় পক্ষের লোকজন নামাজ পড়তে মসজিদে এলে ওয়াক্ফ এস্টেট ও দোকানকোঠার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রথমে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষ ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যে ইটপাটকেলের আঘাতে ওসিসহ সাত পুলিশ সদস্য ও দুই পক্ষের আরও ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হন। পরে মোগলাবাজার থানা-পুলিশ, স্থানীয় নেতা ও কর্তাব্যক্তিদের প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষের কারণে চণ্ডীপুল-বালাগঞ্জ সড়কে যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

মোগলাবাজার থানার ওসি মো. মনির হোসেন বলেন, আজ জুম্মার নামাজের সময় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আমি ও ৭-৮ জন পুলিশ সদস্য এবং দুই পক্ষের ২৫ থেকে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।