সিম কোম্পানিগুলোর মেয়াদের অজুহাত বন্ধ এবং অযৌক্তিকভাবে সিমের প্যাকেজের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সিলেটে গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা পয়েন্টের বিজয় চত্বরে সিলেট কল্যাণ সংস্থা (সিকস), সিলেট বিভাগ যুব কল্যাণ সংস্থা (সিবিযুকস) ও সিলেট প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে এ গণজমায়েত অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিলেটের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা অংশ নেন।
গণজমায়েতে বক্তারা বলেন, ‘আমরা ১২ কোটি সিম ব্যবহারকারী গ্রাহকের প্রতিনিধিত্ব করছি। বাংলাদেশের সর্বত্র সর্বস্তরের নাগরিক সিম ব্যবহার করেন। কিন্তু সিম কোম্পানিগুলো মেয়াদ শেষ হওয়ার অজুহাতে অব্যবহৃত ডাটা, মিনিট ও এসএমএস আত্মসাৎ করে, যা একপ্রকার নীরব চাঁদাবাজি। গ্রাহকের অর্থের বিনিময়ে কেনা সেবা নির্ধারিত সময়ের আগে বা অযৌক্তিক শর্তে সীমিত করা হচ্ছে।’
বক্তারা আরও বলেন, সিম কোম্পানিগুলোর মেয়াদের অজুহাতে অর্থ আত্মসাৎ ও গ্রাহকস্বার্থবিরোধী কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। ১২ কোটি গ্রাহককে জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করতে হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে সিমের মেয়াদের অজুহাত বন্ধ এবং প্যাকেজের মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা না হলে হরতাল, অবরোধসহ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন তারা।
সিলেট কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মোহাম্মদ এহছানুল হক তাহেরের সভাপতিত্বে এবং সিবিযুকসের বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন রশিদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় গণজমায়েতে স্বাগত বক্তব্য দেন সিকসের কার্যকরী কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক মো. তালেব হোসেন তালেব।
এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন সিবিযুকসের বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মো. আজিজুর রহমান আজিজ। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সিবিযুকসের সিনিয়র সহসাংগঠনিক সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাজ্জাদ খান ও জামাল আহমদ, সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সাহেদ আহমদ শান্ত, সহধর্মবিষয়ক সম্পাদক মো. সুহেল আলী, সিলেট মহানগর কমিটির সভাপতি জাকারিয়া মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন সাকের এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।
প্রচণ্ড রোদের মধ্যে প্রায় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট ধরে চলা এ গণজমায়েতে গ্রাহকের পক্ষ থেকে মোছা. হামিদা বেগম, মোছা. নাছুহা বেগম, রোকশানা বেগম, মুক্তা বেগম, রিমা খাতুন, গুলশানা বেগম, মোছা. হেপী বেগম, শিল্পী খাতুন, খুদেজা বেগম, মনোয়ারা আক্তার, শারমিন বেগম, রওশান আরা, মাইশা ইমু, গুলশানা বেগম ও আলেম তালনসহ প্রায় দুই শতাধিক নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।