হোম > সারা দেশ > সিলেট

বাসযোগ্য নগরী গড়তে জলাশয় উদ্ধারে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছি: সিসিক প্রশাসক

সিলেট প্রতিনিধি

ঘাসিবিল পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। ছবি: আজকের পত্রিকা

বাসযোগ্য নগরী গড়তে জলাশয় উদ্ধারে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। আজ বুধবার সিলেট নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসিবিল পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শন করে এ কথা বলেন সিসিক প্রশাসক।

সিসিক প্রকাশক বলেন, ‘বাসযোগ্য নগরী গড়তে আমরা জলাশয় উদ্ধারে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছি। ইতিমধ্যে আমরা খোজারখলা পুকুর পুনরুদ্ধার করেছি। ঘাসিবিলের পুনরুদ্ধারকাজ চলছে। একসময় এই জলাশয় অনেক বড় ছিল। চারদিকে অট্টালিকা নির্মাণের কারণে জায়গাটি সংকুচিত হয়ে বর্তমানে অনেকটা পুকুরের আকার ধারণ করেছে।’

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, প্রায় ১৫ দিন আগে এখানে বিপুল পরিমাণ আবর্জনা ও কচুরিপানা ছিল। দেখে মনে হয়েছে, এটি মশা-মাছির প্রজননস্থল। সিসিকের কর্মীরা কঠোর পরিশ্রম করে ইতিমধ্যে অনেকটা পরিষ্কার করেছেন। তবে পুরো জায়গা সম্পূর্ণ পরিষ্কার করতে হবে। এরপর পুকুরটি খনন করে আরও সুন্দর করে তোলা হবে।

সিসিক প্রশাসক বলেন, ‘আমার পরিকল্পনা ছিল জলাশয়ের চারপাশে একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ করার। তবে পরিবেশ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, শীত মৌসুমে এখানে অতিথি পাখিরা আসে এবং জায়গাটি তাদের অভয়াশ্রম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হলে অতিথি পাখিদের আগমন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে।’

ঘাসিটুলা লামাপাড়া মসজিদের উন্নয়নকাজ উদ্বোধন

এর আগে সিসিক প্রশাসক ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসিটুলা লামাপাড়া মসজিদ পরিদর্শন করেন। এ সময় মসজিদের সামনে খালি জায়গায় নামাজের স্থান নির্মাণের জন্য আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় মসজিদের মোতোয়ালি সাইদুর রহমান, সিসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শামসুল হক পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান, মো. জিলাল উদ্দিন, মো. নজরুল ইসলাম, মো. আব্দুল মতিন, মো. রিয়াজ উদ্দিন, মো. মোস্তফা কামাল, সিসিকের সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য, আকরামুল হামিদ সুপন, আজির উদ্দিনসহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।