আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘সৎ সাহস থাকলে রাজপথে আসুন সামনাসামনি খেলা হবে, আমরা রাজপথে প্রস্তুত আছি। যে হাতে ভাঙচুর করবেন, সেই হাত আমরা ভেঙে দেব। যে হাতে আগুন দেবেন, সেই হাত আমরা পুড়িয়ে দেব। আক্রমণ করার চেষ্টা করবেন না। আক্রমণ করলে আমরাও পাল্টা আক্রমণ করব।’
আজ শনিবার সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির উদ্দেশে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আবারও জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দিচ্ছে বিএনপি। আমরা তার আলামত বুঝতে পারছি। আবারও আগুন সন্ত্রাস, জালাও-পোড়াও করার ষড়যন্ত্র করছে; তা-ও আমরা খবর পাচ্ছি।’
বিএনপির নির্বাচনে আসা প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে ঠিকই আসবে, কিন্তু পানি ঘোলা করে শেষ বেলায় আসবে। নির্বাচনে না আসলে পালাতে হবে। একজন পালিয়েছেন বাকিরাও পালাবার পথ খুঁজবে। আওয়ামী লীগ পালায় না।
বিএনপির আন্দোলন ও পদযাত্রা নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির অভ্যুত্থান গোলামগঞ্জের গরুর হাটে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। এখন আহত হয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে পদযাত্রা করছে। ছুটতে আর পারছে না।’
সুনামগঞ্জ পৌর শহরের সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বেলা দেড়টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেসা হক, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, শফিউল আলম নাদেল, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আজিজুস সামাদ ডন, কেন্দ্রীয় উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম আহমদ খান, সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, শামিমা আক্তার খানম, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মতিউর রহমান প্রমুখ।
সম্মেলন শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের নুরুল হুদা মুকুটকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নোমান বখত পলিনকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করেন। দুই সদস্যের কমিটিকে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়া নির্দেশ দেন তিনি।