ভারতের মেঘালয়ে অতিবৃষ্টির কারণে সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সীমান্ত নদী জাদুকাটা, বৌলাইর পানি বৃদ্ধি পেলে তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার প্রায় ১৫টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ভারতের মেঘালয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে সুরমা নদীর সুনামগঞ্জ পয়েন্টে আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জেলার ছাতক উপজেলার সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে ছাতকের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় মানুষের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এ ছাড়া ঢলের পানিতে ভেসে গেছে হাওরের উঁচু এলাকার কিছু বোরো ফসল। বন্যার পানিতে বাদামসহ নষ্ট হয়েছে মৌসুমি সবজি। সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ইব্রাহীম, সদরগড়, সৈয়দপুর ও দোয়ারাবাজার উপজেলার তিন ইউনিয়নের বরকতনগর, শরীপুর গোজাইড়া, মহব্বাতপুর মামদপুর, মারফতি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শামসুদ্দোহা জানান, ঢলের পানিতে তাহিরপুর ও সদর উপজেলার উঁচু এলাকার ২০ হেক্টর বোরো জমি তলিয়ে গেছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।