শেরপুরের নকলায় আফরোজ লেংটার মাজার ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আসাদুজ্জামান কেনু (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার বানেশ্বর্দী ইউনিয়নের বানেশ্বর্দী কান্দাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার আসাদুজ্জামান ওই গ্রামের মৃত ইলাহী বক্সের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় বছর আগে আফরোজ লেংটা মারা গেলে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির পাশে তাঁর পৈতৃক জমিতে তাঁকে দাফন করেন। পরে তাঁর ভক্ত, অনুসারী ও পরিবারের সদস্যরা সেখানে চার শতক জমির ওপর মাজার নির্মাণ করেন।
মাজারের ওই চার শতক জমির মালিকানা নিয়ে আফরোজ লেংটার সহোদর ভাই ইলাহী বক্সের ছেলে আসাদুজ্জামান কেনুর সঙ্গে তাঁর ভাতিজা আবু হানিফার বিরোধ সৃষ্টি হয়। আবু হানিফা মৃত আক্তার আলীর ছেলে।
অভিযোগ রয়েছে, ওই বিরোধের জেরে গতকাল বিকেলে আসাদুজ্জামান তাঁর কয়েকজন সমর্থক ও নিকটাত্মীয়কে নিয়ে মাজারটি ভাঙচুর করেন। এ সময় প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ছাড়া মাজারের দানবাক্স ভেঙে নগদ ১০ হাজার টাকা ও প্রায় ১৩ হাজার টাকা মূল্যের অলংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় গতকাল রাতেই আবু হানিফা বাদী হয়ে আসাদুজ্জামান কেনুসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দেন। এর ভিত্তিতে নকলা থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।