হোম > সারা দেশ > রাজশাহী

রাবিতে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের ছবি-বিলবোর্ড, জোহা চত্বরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অবস্থান

রাবি প্রতিনিধি  

ক্যাম্পাসে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিতদের ছবি-বিলবোর্ড প্রদর্শনের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি। ছবি: আজকের পত্রিকা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সংগঠন ‘নভো কালচার’-এর উদ্যোগে যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডিত কয়েকজন নেতার ছবি-সংবলিত একটি বিলবোর্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। বিলবোর্ড অপসারণ, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত তা উন্মোচনের দাবিতে আজ রোববার প্রশাসন ভবনের সামনে (জোহা চত্বর) অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বাম সংগঠনের নেতা ও শিক্ষার্থীদের একাংশ।

গতকাল শনিবার ‘জুডিশিয়াল কিলিং’ শিরোনামে বিলবোর্ডটি প্রদর্শন করা হয়। এতে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মীর কাসেম আলী, মতিউর রহমান নিজামী, আব্দুল কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ এবং সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ছবি রয়েছে।

বিলবোর্ডটির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের একাংশ এর সমালোচনা করে।

পরে আজ দুপুরে বাম সংগঠনের কয়েকজন নেতা ও শিক্ষার্থীদের একাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে বিলবোর্ডটি অপসারণের দাবি জানান। প্রক্টর তাদের আশ্বাস দিয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিলবোর্ডটি অপসারণ না করায় তাঁরা প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কর্মসূচি চলমান ছিল।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বিলবোর্ডটি অপসারণ করতে হবে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা উন্মোচন করতে হবে।

কর্মসূচির সময় অংশগ্রহণকারীরা ‘বাহ! ভিসি চমৎকার, রাজাকারের পাহারাদার’, ‘বাহ! প্রক্টর চমৎকার, রাজাকারের পাহারাদার’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিবাদী গানও গাওয়া হয়।

সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে চিহ্নিত রাজাকারদের ছবি টানানো হয়েছে। পাশাপাশি তাদের নর্মালাইজ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানিয়ে প্রক্টর দপ্তরে গেলে তিনি দুই ঘন্টার মধ্যে অপসারণের আশ্বাস দেন। কিন্তু পরে দেখলাম তিনি তাঁর মত পালটে ফেলেছেন। আমরা এই ছবি অপসারণ না করা পর্যন্ত এখানে অবস্থান নিব। রাজাকারের প্রশ্নে কোনো আপোষ নাই।’

নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সাদেক রহমান বলেন, ‘এই ক্যাম্পাসে রাজাকারের কোনো ছবি ঝুলিয়ে রাখা যাবেনা। প্রক্টর বলে তাঁরা নাকি সালাহউদ্দিন আম্মারের জন্য তা অপসারণ করতে পারছেন না। এখানে নাকি বিশৃঙ্খলা হবে। আমরা এসব বুঝিনা, আমরা এসব অপসারণ চাই। পাশাপাশি এর জবাবদিহিতা ও এর পিছনে কারা জড়িত সেটাও জানতে চাই। নয়তো আমরা এখান থেকে যাব না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘মূলত দুই পক্ষই তাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলন করছে। এখানে জুলাই প্রদর্শনীর একটা পোস্টারের কয়েকটি ছবি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আমরা উভয় পক্ষের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি যাতে না তৈরি হয়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’

নির্মাণশ্রমিক সাবেদুলের মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ

আরব আমিরাত ত্যাগ না করার শর্তে বেনজীরকে জামিন দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজশাহী: ভালো দামে চাঙা পাটের বাজার

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজশাহীতে জামায়াতের গণমিছিল

সড়ক দুর্ঘটনায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে নিভে গেল দুই ভাইয়ের প্রাণ

মা জানেন ছেলের ‘খুনি’ কোটিপতি, পুলিশ কিছুই জানে না

চীনের সহযোগিতায় রাজশাহীতেও হবে বিশেষায়িত হাসপাতাল

শিশুকে যৌন হয়রানির মামলায় জামায়াতের রুকন কারাগারে

রাকসু: প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নেই নেতারা, হতাশ শিক্ষার্থীরা

জাগের পানির সংকটে দুর্গাপুরের পাটচাষিদের দুর্ভোগ