পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বিবি আয়শা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সাত্তারকে (৫৬) মারধর, প্রাণনাশের হুমকি ও নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উপজেলার ঠাকুরের হাট এলাকায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে আয়োজিত মানববন্ধনে বিবি আয়শা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা। এ সময় তাঁরা হামলাকারীকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় আনা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টার সময় ব্র্যাক আয়োজিত একটি সভা শেষে বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটি নিয়ে আলোচনা চলছিল। এ সময় বিদ্যালয়ের সভাপতি মোসা. সেতারা বেগমের স্বামী মো. জামাল বয়াতী (৩৮) ও ধর্মীয় শিক্ষক মাওলানা আব্দুস সাত্তারের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মো. জামাল বয়াতী ওই শিক্ষককে মারধর করে বিদ্যালয় থেকে বের করে দেন।
পরে মাওলানা আব্দুস সাত্তার দশমিনা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে দশমিনা থানায় মো. জামাল বয়াতীকে প্রধান আসামি করে অভিযোগ দেন।
এ বিষয়ে দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। দোষী যে-ই হোক, ছাড় পাবে না।