হোম > সারা দেশ > পটুয়াখালী

শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা, সমালোচনা-আপত্তি

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 

শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আলোকসজ্জা। ছবি: আজকের পত্রিকা

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পটুয়াখালীর বাউফল পাবলিক মাঠসংলগ্ন পশ্চিম ও উত্তর পাশে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা ঘিরে স্থানীয়ভাবে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শোকের এই দিনটিতে শহীদ মিনারকে রঙিন আলোর সাজে সজ্জিত করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন ও আপত্তি উঠেছে।

ভাষাশহীদদের স্মরণে শনিবার প্রথম প্রহরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তবে আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি শহীদ মিনারের চারপাশের ঝাড়বাতি ও রঙিন আলোকসজ্জা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

অনেকে বলছেন, ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের স্মরণে পালিত এই দিনটি মূলত শোক ও শ্রদ্ধার। সেখানে বর্ণিল আলোকায়ন দিবসটির ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতপ্রকাশ করেছেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার দাবিতে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মরণে এমন চাকচিক্য শোভন নয়।

স্থানীয় সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে লিখেছেন, জাতি যখন ভাষাশহীদদের আত্মদানে শোকাভিভূত, তখন শহীদ মিনারকে ঝাড়বাতি দিয়ে সাজানো দৃষ্টিকটু ও বেদনাদায়ক। তিনি আরও মন্তব্য করেন, শোকের দিনে এমন আলোকসজ্জা তাঁর অভিজ্ঞতায় নজিরবিহীন।

অন্যদিকে বাউফল উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফিরোজ প্রশ্ন তুলে বলেন, রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যেখানে সংযত পরিবেশ বজায় রাখা হয়, সেখানে বাউফলে এমন আলোকায়নের প্রয়োজনীয়তা কী, তা ভাবার বিষয়। তাঁর বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহু নেটিজেন প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে অপরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেন।

সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, আলোকসজ্জার উদ্দেশ্য উৎসবের আমেজ সৃষ্টি করা নয়; বরং গভীর রাতে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় পর্যাপ্ত দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করাই ছিল লক্ষ্য। তিনি দাবি করেন, ব্যবহৃত আলোর রং ছিল জাতীয় পতাকার লাল ও সবুজ, যা দিবসের মর্যাদার পরিপন্থী নয়। তাঁর মতে, বিভিন্ন স্থানে আলপনা আঁকা হলে তা যেমন দৃষ্টিকটু বিবেচিত হয় না, তেমনি জাতীয় রঙে আলোকায়নও বিতর্কের কারণ হওয়া উচিত নয়।

তবে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যার পরও স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ সন্তুষ্ট নন। তাঁদের মতে, প্রয়োজনীয় আলোর ব্যবস্থা রাখা যেত সংযত উপায়ে, যাতে দিবসের শোকাবহ অক্ষুণ্ন থাকে।

দশমিনায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার ঘিরে উত্তেজনা, এসআইকে ঘিরে রাখে ছাত্রদল

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার নেতৃত্বে দোকানে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

বাউফলে খালে মিলল যুবকের হাত-পা বাঁধা লাশ

দশমিনা আওয়ামী লীগের অফিস খুলে মিলাদ, ফের ভাঙচুর-তালাবদ্ধ

নুরকে যেসব মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান উপকূলবাসী

প্রায় ১৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতলেন নুর

পটুয়াখালীর তিনটিতে বিএনপি-সমর্থিতদের জয়, একটিতে জামায়াত

পটুয়াখালীর চারটি আসনে এগিয়ে আছেন যাঁরা

পটুয়াখালীতে জাল ভোটের চেষ্টা ও ছবি তোলায় আটক ৩

৩৩ বছর বয়সে প্রথম ভোট দিলাম এবং নিজেই প্রার্থী: নুর