নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রকাশ্যে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, আদালত থেকে বাড়ি ফেরার পথে রনির নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন কিশোর গ্যাং সদস্য হামলা চালিয়ে কিশোরীর মা, চাচা ও দাদাকে মারধর করে অস্ত্রের মুখে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন অপহৃত ছাত্রীর মা। সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্রীর মা বলেন, প্রথম দফায় চলতি বছরের ১৬ জুলাই বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে প্রধান অভিযুক্ত রনি তাঁর লোকজন নিয়ে তাঁর মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় নারী ও শিশু আদালতে মামলা করার পর গত ১৪ আগস্ট পুলিশ মেয়েকে উদ্ধার করে। এরপর গত রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) আদালত থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে জজ কোর্টের সামনে আবার হামলার ঘটনা ঘটে।
ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, রনির নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জন কিশোর গ্যাং সদস্য তাঁদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁদের মারধর করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে মেয়ের কোনো খোঁজ পাচ্ছে না পরিবার। তিনি মেয়েকে দ্রুত উদ্ধারে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। রনিসহ তাঁর সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত রনির এক ফুফু ওই ছাত্রীর বাড়িতে থাকেন। সেই সূত্রে তাঁদের বাড়িতে রনির যাতায়াত ছিল। একপর্যায়ে রনি ওই ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করতে শুরু করেন। বিষয়টি রনির পরিবারকে জানানোর পর তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে কিশোরীকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন এবং দুই দফায় অপহরণ করেন।