নোয়াখালীর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে হাম উপসর্গে মো. সামিত নামে সাত বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এটি জেলায় হাম উপসর্গে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
রোববার ভোর সোয়া ৪টার দিকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া সামিত জেলার সুবর্ণচর উপজেলার কাটাখালী গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী।
চিকিৎসকেরা জানান, শনিবার দুপুরে হাম উপসর্গ নিয়ে সামিতকে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের এপ্রিল মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৯১৫ শিশু চিকিৎসা নিয়েছে। এর আগে মৃত্যুর কোনো ঘটনা না ঘটলেও কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছিল।
বর্তমানে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১২০ শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ২০ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে। তবে হাসপাতালে বেড ও ওষুধের তীব্র সংকট রয়েছে। ফলে অধিকাংশ ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে অভিভাবকদের। এ ছাড়া চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ সংকটের কারণে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।