হোম > সারা দেশ > নীলফামারী

সৈয়দপুরে আফাজ উদ্দিন হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

আফাজ উদ্দিন হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন। ছবি সোর্স: আজকের পত্রিকা

নীলফামারীর সৈয়দপুরে নির্মাণাধীন বাড়িতে অগ্নিসংযোগে দগ্ধ হয়ে আফাজ উদ্দিনের (৬২) মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। আজ শনিবার দুপুরে স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন তাঁরা।

শোকাহত এলাকাবাসীর ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আফাজ উদ্দিনের ছেলে নুর হোসেন ও আবু বকর সিদ্দিক, মেয়ে রেহেনা বেগম এবং এলাকাবাসী সামিউল ইসলাম, মোক্তার হোসেন, মো. তাহের হোসেন প্রমুখ।

মৃতের ছোট ছেলে আবু বকর সিদ্দিক জানান, প্রায় পাঁচ মাস আগে গাছের পাতা কুড়ানোকে কেন্দ্র করে একই ইউনিয়নের মাঝাপাড়া এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুস সালাম চঞ্চলের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে চঞ্চল ও তাঁর পরিবারের লোকজন তাঁর ভাই নুর হোসেনকে হত্যা করতে একটি নির্মাণাধীন ঘরে পেট্রল ছিটিয়ে আগুন লাগিয়ে দেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে তাঁর বৃদ্ধ বাবা এই নৃশংসতার শিকার হন। আবু বকরের অভিযোগ, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের কাছ থেকে টাকা খেয়ে পুলিশ মামলা নিতেই চায়নি। কিন্তু বিক্ষুব্ধ জনতা লাশ নিয়ে থানা ঘেরাও করার পর বাধ্য হয়ে মামলা নিলেও এখন আসামি গ্রেপ্তারে গড়িমসি করছে।

মানববন্ধনে অন্য বক্তারা বলেন, একজন বৃদ্ধ মানুষকে পেট্রল দিয়ে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হলো, অথচ আসামিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আসামিরা এলাকায় অবস্থান করে বুক ফুলিয়ে চলছেন, অথচ পুলিশ নাকি তাঁদের খুঁজে পাচ্ছে না। খুনিরা বলে বেড়াচ্ছেন, ‘আফাজ উদ্দিনকে যেভাবে খেয়েছি, মামলাও খেয়ে ফেলেছি।’ একটা চক্র মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ ও হুমকি দিচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ সময় আসামি ধরতে গড়িমসি নিয়ে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা।

ওসি রেজাউল করিম রেজা বলেন, মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। আসামিদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ৩ জুন ভোর ৪টার দিকে উপজেলার খাতামধুপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাচারীপাড়ায় আফাজ উদ্দিনের বড় ছেলে নুর হোসেনের নির্মাণাধীন বাড়িতে দুর্বৃত্তরা পেট্রল ছিটিয়ে আগুন দেয়। এতে আফাজ উদ্দিন আগুনে দগ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সেখান থেকে একই দিন ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ৮ জুন বেলা ১টার দিকে মারা যান তিনি।

ভারত থেকে এল ১৮টি রেলকোচের প্রথম চালান

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, নীলফামারী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি

সৈয়দপুরে রেলের ৭০ একর জমি উদ্ধারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: রেলপথমন্ত্রী

সৈয়দপুর রেলকারখানায় কোচ সংস্কারের মান নিয়ে ক্ষুব্ধ মন্ত্রী

নীলফামারীতে চিকিৎসকের ওপর হামলা: কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা

নীলফামারীতে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সের চালক আটক

সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়নের অভিযোগ: ইউএনওর বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাদের সংবাদ সম্মেলন

ঢাকায় হত্যার পর লাশ নীলফামারীতে এনে মাটিচাপার অভিযোগ

নীলফামারীর ডিমলা: বালু তোলায় ঝুঁকিতে তিস্তা বাঁধ

মাদক মামলার আসামিকে ছাড়াতে এসপি অফিস ঘেরাও, আটক ২০