‘ঘর ভাঙা আছিল, পলিথিন দিয়া রাখতাম। ঘরের ভাঙা দিয়া পানি পড়ত। আমরা আগে অনেক কষ্টে আছিলাম। এখন আমরারে একটা ঘর দিল কায়সার বাবা। আমরা এখন খুশি। এখন শান্তিতে থাকবাম। অনেক খুশি হইছি। তাঁর জন্য আমি দোয়া করি, আমারে ঘর দিল, হি যাতে ভালো বলি থাকতে পারে, আরো যাতে বড় মানুষ হইতে পারে।’ নতুন ঘর পেয়ে খুশিতে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামের বাসিন্দা অশীতিপর বৃদ্ধা আদিবাসী পিকুলা হাজং।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ফিতা কেটে নতুন ঘরের উদ্বোধন করেন পিকুলা হাজং ও তাঁর স্বামী কিরন হাজং।
পিকুলা হাজংয়ের স্বামী কিরন হাজং বলেন, ‘এখন কাম করতে পারি না। আশেপাশের মানুষ কিছু দিলে বুড়া-বুড়ি খাইয়া বাঁইচা আছি। ইচ্ছা আছিন বুড়া বয়সে ভালা একটা ঘরে থাকবাম। আমরার এই ইচ্ছা পূরণ হইছে, আমরা কায়সার কামালের কাছে কৃতজ্ঞ।’
জানা যায়, এই দম্পতির জরাজীর্ণ ঘরে কষ্টে বসবাস ও দুর্দশার খবর পেয়ে ব্যক্তিগত অর্থায়নে নতুন ঘর উপহার দেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অসহায়দের ঘর নির্মাণ করে দেওয়ায় খুশি স্থানীয়রাও।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, কুল্লাগড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, লেঙ্গুরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিলন মিয়াসহ বিএনপি ও তাঁর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় আদিবাসীরা।