হোম > সারা দেশ > নেত্রকোণা

দুর্গাপুরে সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নিশ্চিতে সোলার ইনভার্টার স্থাপন

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

আজ সকালে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে সোলার ইনভার্টার উদ্বোধন করা হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সোলার ইনভার্টার, লিথিয়াম ব্যাটারি ও অটোমেটিক চেঞ্জওভার সুইচ স্থাপন করা হয়েছে। এতে হাসপাতালে চিকিৎসাসেবায় বিদ্যুৎ সংকটের দীর্ঘদিনের সমস্যা লাঘব হলো।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে হাসপাতাল চত্বরে সোলার ইনভার্টার উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ সাদাত, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল ওমর ফারুক, আবাসিক মেডিকেল অফিসার তানজিরুল ইসলাম রায়হানসহ হাসপাতালের কর্মকর্তারা।

হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা শুভ দাস বলেন, ‘আগে হাসপাতালে রোগী নিয়ে ভর্তি হলে বিদ্যুৎ চলে গেলে চরম দুর্দশার মধ্যে পড়তে হতো। রাতের বেলায় বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারে থাকতে হতো। এখন থেকে ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। বিদ্যুৎ চলে গেলেও এক সেকেন্ডের জন্য আলো ফ্যান বন্ধ হবে না। আমাদের এই বড় ভোগান্তি দূর করার জন্য ভারপ্রাপ্ত স্পিকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুল্লাহ আল ওমর ফারুক বলেন, ‘প্রথমে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের সমস্যার কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে আমাদের ইনডোর, আউটডোর ও বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাসেবা দিতে কষ্ট হতো। রোগীরাও অনেক ভোগান্তিতে পড়তো। আমাদের হাসপাতালে প্রায় ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সোলার ইনভার্টার, ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমি মনে করি এখন বিদ্যুৎ চলে গেলেও রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদানে বড় ধরনের কোনো সমস্যা হবে না।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আহমেদ সাদাত বলেন, ‘ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সার্বিক নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সোলার ইনভার্টার ও ব্যাটারি এই প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয়েছে। ইতিপূর্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ হাসপাতালে তিনটি ইসিজি মেশিনও দেওয়া হয়েছে। মূলত হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সামগ্রীর যে স্বল্পতা রয়েছে তা পূরণে এসব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’