নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তাকারী জনি (২০) নামের এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। পাশাপাশি অপহৃত কিশোরীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ র্যাব -১৪-এর সদর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মীর ইশতিয়াক আমিন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গতকাল শনিবার রাতে রাজধানীর ভাটারা থানার বসুন্ধরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার জনি কেন্দুয়া উপজেলার চিথোলিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।
মামলার বরাতে র্যাব জানায়, জেলার কেন্দুয়া এলাকার রনি মিয়া (২২) নামের এক তরুণ ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। মেয়ের বিয়ের বয়স না হওয়ায় পরিবার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রনি ও তাঁর সহযোগী জনিসহ আরও কয়েকজন মিলে ওই কিশোরীকে অপহরণের পরিকল্পনা করেন। গত ২০ আগস্ট সকালে কোচিংয়ে যাওয়ার সময় একটি মাইক্রোবাসে তুলে ওই কিশোরীকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান তাঁরা। সেখানে গিয়ে রনি কিশোরীকে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর ভাই বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলায় রনির বিরুদ্ধে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ এবং জনিসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তা মীর ইশতিয়াক আমিন জানান, উদ্ধার হওয়া কিশোরীকে হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তার জনিকে আজ সকালে কেন্দুয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার জনিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। কিশোরীর বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ওসি আরও বলেন, ‘এর আগে মামলার আসামি শামীম মিয়া ও ঝর্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে প্রধান আসামি রনি ও রানা নামের দুজন পলাতক রয়েছেন। তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।’