নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে খালের পানিতে ডুবে মো. আলী (১১) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের পানুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে জেলেদের জালে তার মরদেহ উঠে আসে। নিহত আলী পানুর গ্রামের আশিকুলের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলীর মা-বাবা দুজনই জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকেন। তাই শিশুটি দাদা আবু তাহেরের সঙ্গে পানুর গ্রামে থাকত। বুধবার দুপুরে মুখ ধোয়ার জন্য বাড়ির পাশের সাপমরা খালে যায় সে। একপর্যায়ে পানিতে ডুবে যায়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে খালে মাছ ধরার সময় জেলেদের জালে শিশুটির মরদেহ উঠে আসে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
স্থানীয়রা জানান, আলীর মৃগীরোগ ছিল। খালে নামার পর হঠাৎ মৃগীরোগের খিঁচুনি ওঠায় সে পানিতে তলিয়ে গেছে বলে ধারণা করছেন তারা।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর মিয়া বলেন, আলী স্থানীয় বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার মা-বাবা ঢাকায় থাকায় সে দাদার কাছে থাকত। মুখ ধোয়ার জন্য খালে যাওয়ার পর মৃগীরোগের কারণে পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। পরে জেলেদের জালে তার মরদেহ উঠে আসে।
মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শিশুটি মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিল। মুখ ধুতে গিয়ে খালের পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।